“ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন ও ব্যবহারোপযোগী থাকে। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ” — ডা. শফিকুর রহমান, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির “অবৈধভাবে কাউকে ফুটপাত দখল করতে দেয়া হবে না। নগরবাসীকে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ করে দিতে ফুটপাত উদ্ধারের কর্মসূচি চলমান থাকবে। তদন্ত করে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হবে” — মো. শফিকুল ইসলাম খান, প্রশাসক, ডিএনসিসি “মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সঙ্গে যথাযথভাবে যোগাযোগ করেননি। ফলে সেখানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে” — সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ডিএনসিসির উচ্ছেদকর্মী এবং পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকাররা জোটবদ্ধ হয়ে ডিএনসিসি-পুলিশ ও সংবাদ সংগ্রহে থাকা গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যবহৃত বেশকিছু গাড়ি ভাঙচুর শেষে পুলিশ ও ডিএনসিসির কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হলে বন্ধ হয়ে যান সব ধারণের যানবাহন চলাচল। সংঘর্ষের এ ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েক প্লাটুন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে দুপুরের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততক্ষণে পুলিশ ও ডিএনসিসি’র যানবাহন পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকেই মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর ও হোপ স্কুল সংলগ্ন ফুটপাতে দোকান খুলতে শুরু করেন হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সকাল ৯টার দিকে সেখানে জড়ো হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও ডিএনসিসি’র উচ্ছেদকর্মীরা। এক পর্যায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। এতে বাধা দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন হকাররা। একপর্যায়ে হকারদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। হকাররা সংগঠিত হয়ে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনাস্থলে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করতে যাওয়া সংবাদকর্মীদের সঙ্গেও হকারদের কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। সংঘর্ষের ঘটনা কাভার করতে যাওয়া পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপরও অতর্কিত হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ হকাররা। একপর্যায়ে দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীকে হেনস্তা করা এবং তাদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাও ঘটে। বিক্ষুব্ধ হকাররা সময় ও একাত্তর টেলিভিশনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় হামলায় সময় টেলিভিশনের এক ক্যামেরাম্যানের মাথা ফেটে যায়। এতে পথচারী, পুলিশ-সাংবাদিক ও ডিএনসিসির উচ্ছেদকর্মীসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় ও সহকর্মীরা তাদের যার যার মত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মিরপুর আইডিয়াল কলেজের সামনে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের একটি দলকে অবস্থান করতে দেখা যায়। অন্যদিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন। ঘটনাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এর জবাবে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে বিক্ষুব্ধ হকারদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, ঘটনার সময় পুলিশের সদস্যদের তুলনায় ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বেশি ছিল। তাদের ছোড়া ইটপাটকেলের মুখে পুলিশ সদস্যরা কিছুটা পিছু হটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চরম বেগ পেতে হলে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটপাতের হকার ও ব্যবসায়ীদের কয়েকজন ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে ব্যাপক হামলা চালিয়ে ভাঙচুর শেষে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সময় সড়কে থাকা একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও পুলিশের একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত হকাররা। একই সময়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৩টি ইউনিট। পরে দুটি ইউনিট দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির আগুন দ্রুত নেভাতে সক্ষম হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিব হোসেন। থেমে থেমে সংঘর্ষ চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর অভিমুখী সড়কে যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এ সময় আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলে জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। তবে উত্তেজিত হাকর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রমে দফায় দফায় বিঘ্ন ঘটে। মিরপুর মডেল থানা-পুলিশ জানিয়েছে, সকালের দিকে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর হকারদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এবং স্বাভাবিক রয়েছে। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সন্দেহভাজনদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, ফুটপাত দিয়ে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ডিএনসিসি প্রশাসকের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযানে নামে ডিএনসিসি’র কর্মীরা। তখন বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশও সেখানে জড়ো হয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছিল। কিন্তু উত্তেজিত হকারদের এরোপাতাড়ি ইটের আঘাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ, সংবাদকর্মী, ডিএনসিসির উচ্ছেদ কর্মী ও পথচারীসহ অনেকেই আহত হয়েছেন। উত্তেজিত হকাররা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ডিএনসিসির ৩টি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়, পাশাপাশি পুলিশের গাড়ি ও একটি এক্সকাভেটর (ভেকু) ভাঙচুর করেছে। তবে দুপুরের পরপরই সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই রুটের সবকটি সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় হোপ মার্কেটে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য, জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানে তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত না করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তাকে বিস্মিত করেছে। ফেসবুক পোস্টে ঢাকা-১৫ আসনকে রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন উলে¬খ করে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। সুতরাং জনগণের সুবিধা-অসুবিধা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করা হলে বিষয়টি হয়তো আরও সমন্বিত ও ভিন্নভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো। শফিকুর রহমান বলেন, হোপ মার্কেটের উচ্ছেদ অভিযানটি সংঘাতের পরিবর্তে বাস্তবতা উপলব্ধি করে ব্যবস্থা নেয়া যেত। তিনি বলেন, এমন একটি ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন, যাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন ও ব্যবহারোপযোগী থাকে। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ। জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, মাসের পর মাস ধরে একদল অসাধু ও চাঁদাবাজ ব্যক্তি এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নিয়ে তাদের এখানে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদা আদায় করে থাকে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় কর্মকাণ্ড। এর ফলে শেষ পর্যন্ত এর আর্থিক বোঝা গিয়ে পড়ে সাধারণ ক্রেতা ও জনগণের ওপর। তিনি বলেন, এভাবে আদায় করা অর্থের আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতা ও জনগণের ওপর গিয়ে পড়ে। তাই শুধু বিচ্ছিন্ন কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং সমন্বিত, সুপরিকল্পিত ও টেকসই পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য কল্যাণকর হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়াই এখন সময়ের দাবি। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন হলে তার আগে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়ার কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে কি না, সেটিও ভেবে দেখা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ যেন সমন্বিতভাবে নেয়া হয় এবং সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করা হয় এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, ফ্যাসিজমের আমল থেকে যারা ফুটপাত দখল করে রেখেছিল, তারা এবং তাদের ইন্ধনে সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক ও কিছু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন অব্যাহত থাকবে।’ নগরসেবার জন্য এবং নগরবাসীকে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ করে দিতে ফুটপাত উদ্ধারের কর্মসূচি চলমান থাকবে। অরাজকতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ডিএনসিসি ও পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে। তদন্ত করে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হবে। অবৈধভাবে কাউকে ফুটপাত দখল করতে দেয়া হবে না। সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়ার প্রসঙ্গ তুলে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, যারা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, তারা ফ্যাসিজমের দোসর এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে। এদিকে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে মিরপুরে হকার উচ্ছেদের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযানে দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সঙ্গে যথাযথভাবে যোগাযোগ করেননি। ফলে সেখানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনস্বার্থে সরকার কাজ করছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।