টানা নয় মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার অনুমতি থাকলেও দ্বীপে রাতযাপনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। হোটেল-রিসোর্ট ও পর্যটকবাহী জাহাজের মালিকেরা পুরো পর্যটন মৌসুমে রাতযাপনের সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। তবে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর মতে, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অন্তত নভেম্বর মাসে রাতযাপনের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার কক্সবাজারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটকেরা কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত জাহাজে সেন্ট মার্টিন যেতে পারবেন। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার পর্যটক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে ১০০ টাকা দিতে হবে। তবে নতুন নির্দেশনায় রাতযাপনের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, সেন্ট মার্টিনে রাতযাপনের বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি। আগের প্রজ্ঞাপনের শর্তগুলো বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার কক্সবাজারে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে পর্যটন করপোরেশন ও ট্যুরিজম বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জাহাজমালিক, হোটেল-রেস্তোরাঁমালিক এবং ট্যুর অপারেটররা উপস্থিত থাকবেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে রাতযাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে ‘অনিশ্চয়তা’, যা জানাল প্রশাসন 182Shares অ- অ+ X দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ছবি: সংগৃহীত টানা নয় মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার অনুমতি থাকলেও দ্বীপে রাতযাপনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। হোটেল-রিসোর্ট ও পর্যটকবাহী জাহাজের মালিকেরা পুরো পর্যটন মৌসুমে রাতযাপনের সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। তবে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর মতে, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অন্তত নভেম্বর মাসে রাতযাপনের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার কক্সবাজারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটকেরা কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত জাহাজে সেন্ট মার্টিন যেতে পারবেন। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার পর্যটক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে ১০০ টাকা দিতে হবে। তবে নতুন নির্দেশনায় রাতযাপনের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়বে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, সেন্ট মার্টিনে রাতযাপনের বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি। আগের প্রজ্ঞাপনের শর্তগুলো বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার কক্সবাজারে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে পর্যটন করপোরেশন ও ট্যুরিজম বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জাহাজমালিক, হোটেল-রেস্তোরাঁমালিক এবং ট্যুর অপারেটররা উপস্থিত থাকবেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে রাতযাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচলের কোনো আবেদন জমা পড়েনি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজকে পর্যটক নিয়ে দ্বীপে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে না। রাতযাপন নিয়ে ভিন্নমত হোটেলমালিকদের আশা, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পুরো পর্যটন মৌসুমেই দ্বীপে রাতযাপনের সুযোগ থাকবে। তবে পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে আগের বিধিনিষেধ বহাল থাকলে নভেম্বর মাসে সকালে দ্বীপে গিয়ে বিকেলে ফিরে আসতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত রাতযাপনের সুযোগ মিলতে পারে।