বুধবার- ২৯ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

বুধবার- ২৯ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

প্রচ্ছদ /

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি

বিএনপি এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে : শামীম ওসমান

Add Your Heading Text Here

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, ২৮ অক্টোবর সমাবেশের নামে বিএনপি যে আগ্রাসন চালিয়েছে, পুলিশ হত্যা করেছে- এর ‘বিচারের দায়িত্ব জনগণের হাতে দিলাম’। তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে পুলিশকে কুপিয়ে মেরেছে এটার বিচার আপনারাই (জনগণ) করবেন। প্রধান বিচারপতির ওপর হামলা মানে রাষ্ট্রের ওপর হামলা। পুলিশকে কুপিয়ে মারা মানে আইনকে কুপিয়ে মারা। ওরা তো কিছু বাদ রাখেনি। সাংবাদিকদেরও পিটিয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে মারলো, মহিলাদের মারলো। এবং লালমনিরহাটে আমাদের এক ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করলো। পুলিশের লোকটা পড়ে আছে। তার মৃত্যু কনফার্ম করার জন্য তাকে চাপাতি দিয়ে কোপানো হলো। এটা তো কল্পনার অতীত। এটা রাজনীতি হতে পারে না।
সোমবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের বিলুপ্ত পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ারের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহরের চাষাঢ়ায় আয়োজিত দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম ওসমান আরো বলেন, ১৪-১৫ সালে যা করেছে আবার তারা সেটা করতে চায়। একটা ধাক্কা লেগে গেছে, ওরা আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে না। এবার ওরা (বিএনপি) নাকে খত দিয়ে শেখ হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচনে আসবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, দল যদি নির্দেশ দিতো তাহলে অবরোধ তো দুরের কথা, বিএনপি নিজের বাড়ির ভেতরই অবরুদ্ধ থাকতো। কিন্তু আমাদের দল আমাদের এই ধরনের নির্দেশ দেয় নাই। দল বলছে শান্তি সমাবেশ করতে আমরা শন্তি সমাবেশ করবো।
গোলাম সারোয়ার সম্পর্কে শামীম বলেন, তার সম্পর্কে অনেকে হয়ত জানেন না। ওদের ব্যাচটা আমার সন্তানের মতো ছিল। আজ সারোয়ারের মৃত্যুবার্ষিকী। সবসময় ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছিল সে। সর্বদিক দিয়ে সে ভালোমানুষ ছিল। ওর রাজনীতি করার কথা ছিল না। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু না হলে ও হয়ত রাজনীতিতে আসত না, আমরাও আসতাম না।
শামীম ওসমান বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে সারোয়ার, মাকসুদ, লাল ওরা যে সেক্রিফাইস করেছে এতটা কেউ করেছে বলে মনে হয় না। ওদের কাছে পদ বড় ছিল না। ওদের চাওয়া ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জাতির পিতার কন্যাকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাওয়া।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৫ সালে আমি হীরা মহলে বসা। এখানে এক ওসি এলেন, তার চাকরি চলে যাওয়ার মতো অবস্থা। কেন? কারণ, আমাদের এরেস্ট করতে হবে। সারোয়ার, মাকসুদ, লাল, নিয়াজুল ওদের মধ্য থেকে একজনকে ধরতে হবে। তখন ওদের মধ্যে তর্ক কে এরেস্ট হবে। পরে ওরা টস করে, টসে যে জিতে সে এরেস্ট হয়ে থানায় যায়। আল্লাহর উপর বিশ্বাস আছে- আল্লাহ ওদের জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন। আমি দেখেছি ওরা মানুষের জন্য কতটা কষ্ট করত। আমি ওদের জন্য আপনাদের কাছে দোয়া চাই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ এবং সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগঃ

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়