ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিচারপ্রার্থীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় : নারায়ণগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজ

নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে শনিবার (৪ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুর রহমান।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা সারওয়ার এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তানভীর পাশা, নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মশিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, পাবলিক প্রসিকিউটর এড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বুলবুল, নারায়ণগঞ্জ জেলার কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান ও ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আযম মিয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,  বিজিবি নারায়ণগঞ্জ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল খালিদ ইফতেখার, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, সরকারী কৌসুলী মেরিনা বেগম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও পিবিআই এর পুলিশ সুপারগনসহ নারায়ণগঞ্জের সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের জেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন বলেন, বিচারপ্রার্থীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য পুলিশ-ম্যাজিষ্ট্রেটকে এক সাথে কাজ করতে হবে। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামির টিআইপি শেষ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
সভায় সভাপতি নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুর রহমান তার বক্তব্যে, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণকে আইন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে দক্ষতার সাথে ক্রটিমুক্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেন। তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল ও সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণসহ সাক্ষীদের নিরাপত্তা ও গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যথাসময়ে আদালতে উপস্থাপনের উপর জোর দেন।
উক্ত সভায় ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত, তা থেকে উত্তরণের উপায়, ফৌজদারী মামলায় সাক্ষ্য উপস্থাপন ও সংশ্লিষ্টদের করনীয় এবং ফৌজদারী মামলার তদন্তে তদন্তকারী সংস্থা সমূহের ক্রটি বিচ্যুতি এবং সংশোধনের উপার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া বিচার বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট অংশিদারগণ ফৌজদারী মামলার বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভুত বিভিন্ন সমস্যা ও তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।
ট্যাগস :

বিচারপ্রার্থীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় : নারায়ণগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজ

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে শনিবার (৪ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুর রহমান।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা সারওয়ার এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তানভীর পাশা, নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মশিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, পাবলিক প্রসিকিউটর এড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বুলবুল, নারায়ণগঞ্জ জেলার কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান ও ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আযম মিয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,  বিজিবি নারায়ণগঞ্জ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল খালিদ ইফতেখার, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, সরকারী কৌসুলী মেরিনা বেগম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও পিবিআই এর পুলিশ সুপারগনসহ নারায়ণগঞ্জের সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের জেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন বলেন, বিচারপ্রার্থীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য পুলিশ-ম্যাজিষ্ট্রেটকে এক সাথে কাজ করতে হবে। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামির টিআইপি শেষ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
সভায় সভাপতি নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুর রহমান তার বক্তব্যে, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণকে আইন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে দক্ষতার সাথে ক্রটিমুক্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেন। তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল ও সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণসহ সাক্ষীদের নিরাপত্তা ও গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যথাসময়ে আদালতে উপস্থাপনের উপর জোর দেন।
উক্ত সভায় ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত, তা থেকে উত্তরণের উপায়, ফৌজদারী মামলায় সাক্ষ্য উপস্থাপন ও সংশ্লিষ্টদের করনীয় এবং ফৌজদারী মামলার তদন্তে তদন্তকারী সংস্থা সমূহের ক্রটি বিচ্যুতি এবং সংশোধনের উপার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া বিচার বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট অংশিদারগণ ফৌজদারী মামলার বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভুত বিভিন্ন সমস্যা ও তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।