প্রকাশ :: ... | ... | ...

ভেনিসে হেনস্তার শিকার বাঁধন, ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন


সংযুক্ত ছবি

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। তবে এমন ন্যাক্কারকজনক ঘটনার মুখে পড়বেন, তা হয়তো কখনো ভাবেননি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। রীতিমতো মারধর ও ব্যাপক হেনস্তার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী। অভিযোগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা এর নেপথ্যে। অবশ্য মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, “সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।” ‘দেশকে ধ্বংস করেছে’, এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে রীতিমতো হেনস্তা করা হয়। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই। এ ঘটনার পর বাঁধনে আর স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়নি। চোখে মুখে ব্যাপক আতঙ্ক; আঘাতে মুখ ফুলে লাল। সোমবার মধ্যরাতে ফেসবুকে লাইভে এসে সকলের কাছে ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। সেখানে বাঁধন বলেন, আমি আমার ভাইয়ের সাথে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। আমার সাথে, আমার সাথে হচ্ছে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে। বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে বলেছে যে 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' বলতে জোর করে। তো এবং তারা সেগুলো ভিডিও করেছে এবং সেগুলো তারা লাইভ করছিল, আপলোড করছিল। এই অভিনেত্রী বলেছেন, তো, আওয়ামী লীগের যে কর্মীরা জানেন না যে আমি বাংলাদেশ থেকে যে সিনেমাটা নিয়ে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আসছি, সেই সিনেমাটার ডিরেক্টর হচ্ছে রুবাইয়াত হোসেন, যার বাবা আপনাদের একজন সম্মানিত মন্ত্রী ছিলেন। আপনারা একটু খবর নিয়ে দেখবেন। সো আমি তার সাথে কাজ করেছি এবং জুলাইয়ের পরেই কাজ করেছি।