ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে মাদক মামলায় এক পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত

লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত মাদক মামলার রায়ে এক পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডাদেশ দিয়েছেন।১ অক্টোবর বুধবার লালমনিরহাট জেলা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এরায় ঘোষনা করেন।

সাজা প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হুমায়ুন জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় হাইওয়ে থানায় সময়ে কর্মরত ছিলেন মামলা হওয়া কালিন সময়ে।মামলার রায় ঘোষণার দিন তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের হুমায়ুন কবীরের বাড়ি বগুড়ার নন্দীগ্রামের ভারাটা ইউনিয়নের পাইকারছুরি গ্রামে।বিজ্ঞা আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করছেন।

তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়,লালমনিরহাটের কালীগন্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের রুদ্রেরশ্বর এলাকায় ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারী তার সাথে থাকা মোটর সাইকেল তল্লাশী চালায় জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।তারা ওই মোটর সাইকেলে বিশেষভাবে রক্ষিত প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তার ভিতর থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।পরে তার বিরুদ্ধে লালমনিরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মোঃ জুয়েল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

২৫ মার্চ ২০২০ইং তারিখে আদালতে হুমায়ন কবীরের বিরুদ্ধে চার্চশীট দাখিল করেন।গত ৪ আগষ্ট ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়।পরে হুমায়ুন কবীর জামিন পান মামলা থেকে।

লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ আকমল হোসেন জানান সাজা প্রাপ্ত হুমায়ুন কবীর নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতেন। তবে রায় ঘোষনার দিন তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জানান এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা ও গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করেন আদালত। এক প্রশ্নের জবাবে সরকারী প্রকৌশলী মোঃ আকমল হোসেন জানান গ্রেফতারী পরওয়ানা তামিল হবার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ চাকুরী বিধিঁ মতন তাকে চাকুরীচুতির বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

ট্যাগস :

লালমনিরহাটে মাদক মামলায় এক পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত মাদক মামলার রায়ে এক পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডাদেশ দিয়েছেন।১ অক্টোবর বুধবার লালমনিরহাট জেলা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এরায় ঘোষনা করেন।

সাজা প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হুমায়ুন জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় হাইওয়ে থানায় সময়ে কর্মরত ছিলেন মামলা হওয়া কালিন সময়ে।মামলার রায় ঘোষণার দিন তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের হুমায়ুন কবীরের বাড়ি বগুড়ার নন্দীগ্রামের ভারাটা ইউনিয়নের পাইকারছুরি গ্রামে।বিজ্ঞা আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করছেন।

তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়,লালমনিরহাটের কালীগন্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের রুদ্রেরশ্বর এলাকায় ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারী তার সাথে থাকা মোটর সাইকেল তল্লাশী চালায় জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।তারা ওই মোটর সাইকেলে বিশেষভাবে রক্ষিত প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তার ভিতর থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।পরে তার বিরুদ্ধে লালমনিরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মোঃ জুয়েল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

২৫ মার্চ ২০২০ইং তারিখে আদালতে হুমায়ন কবীরের বিরুদ্ধে চার্চশীট দাখিল করেন।গত ৪ আগষ্ট ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়।পরে হুমায়ুন কবীর জামিন পান মামলা থেকে।

লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ আকমল হোসেন জানান সাজা প্রাপ্ত হুমায়ুন কবীর নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতেন। তবে রায় ঘোষনার দিন তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জানান এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা ও গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করেন আদালত। এক প্রশ্নের জবাবে সরকারী প্রকৌশলী মোঃ আকমল হোসেন জানান গ্রেফতারী পরওয়ানা তামিল হবার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ চাকুরী বিধিঁ মতন তাকে চাকুরীচুতির বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।