প্রকাশ :: ... | ... | ...

আমি একবার কোরবানি হয়েছি,স্থানীয় নির্বাচনে আর কাউকে কোরবানি করবেন না: মাসুদ রানা


সংযুক্ত ছবি

জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে আমার সঙ্গে যে আচরণ ও ভুল করা হয়েছে, সেই ভুল আবারও করতে চান। আমি কিন্তু একবার কোরবানি হয়েছি। তাই স্থানীয় নির্বাচনে আর কাউকে কোরবানি করবেন না।” গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার ও পৌর বিএনপির যৌথ আয়োজনে পাঁচবিবি পৌর পার্কে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাইফুল ইসলাম ডালিমের সভাপতিত্বে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা প্রধান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এর আগে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. গোলজার হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আ. ওহাব। এর আগে সকালে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাসুদ রানা প্রধান বলেন, “জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলায় আমরা নিয়মিত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আগামী দিনে পাঁচবিবি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আপনারা সবাই তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। পাঁচবিবির উন্নয়নে আমরা সকলে মিলেমিশে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও আদর্শের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের উত্তরসূরি তারেক রহমানও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের পাশে থাকার কথা তুলে ধরেন। মাসুদ রানা প্রধান নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবু হাসনাত হেলাল মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আলম তরফদার রুকু, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর ফেরদৌস রাইট এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তাহের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবু সাঈদ, ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হোসেন খায়ের স্বপন, জেলা আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব নাজমুল ইসলাম জনি, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পিন্টু, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব কাজী মো. মঞ্জুরে মওলা পলাশ, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আহসান হাবিব, জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সংগীতশিল্পী এম আই মিঠু, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস জাহাঙ্গীর, থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রাশেদুল হক, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মণ্ডল ও মাহবুব আলম জামিল, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সোবহান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী, জেলা যুবদল নেতা আনিছুর রহমান ও মো. নয়ন প্রধান, হাফিজুর রহমান রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নুরুজ্জামান মণ্ডল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. হাসানুজ্জামান রাব্বি, থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জনাবুর রহমান জনি, বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক ফয়সল হোসেন আপেল, সদস্য সচিব এস এম নাহিদ হাসান, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাব্বিউল ইসলাম রকি এবং মহিপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইমানুর রহমানসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। বক্তারা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারের দিন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।