০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইবিতে শেরপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শেরপুর জেলা থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘শেরপুর ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান- ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) ১১৬ নং কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মান্নান মেজবাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কে এম শরফউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম শোয়েব, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলাম, ইবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু হুরায়রা, শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়, ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি এবিএম রিজওয়াল উল হক ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি হাসিবুল হাসান। এছাড়া সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ সিদ্দিকীসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক নবীন ও প্রবীণ সদস্য এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠনে সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম রোমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাংলেদেশের গন্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের এমন কোনো দপ্তর পাওয়া যাবে না যেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা নেই। তারা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের দ্বারা নিজেদের সেসব জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আশা করি তোমরাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরন করবে। চলার পথে অনেক বাধাবিপত্তি আসবে। সকল বাঁধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাবে।

এসময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ছাত্রজীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতে চারটি বছর শেষ হয়ে যাবে। তাই শুরু থেকেই তোমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। সে অনুযায়ী চলার মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আশা করি জাতিকে একটি মানবিক মানুষ উপহার দেবে। দেশ ও মানবতায় সেবায় কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নবীন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী উপহার প্রদানের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং প্রবীণ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ইবিতে শেরপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শেরপুর জেলা থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘শেরপুর ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান- ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) ১১৬ নং কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মান্নান মেজবাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কে এম শরফউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম শোয়েব, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলাম, ইবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু হুরায়রা, শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়, ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি এবিএম রিজওয়াল উল হক ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি হাসিবুল হাসান। এছাড়া সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ সিদ্দিকীসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক নবীন ও প্রবীণ সদস্য এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠনে সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম রোমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাংলেদেশের গন্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের এমন কোনো দপ্তর পাওয়া যাবে না যেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা নেই। তারা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের দ্বারা নিজেদের সেসব জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আশা করি তোমরাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরন করবে। চলার পথে অনেক বাধাবিপত্তি আসবে। সকল বাঁধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাবে।

এসময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ছাত্রজীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতে চারটি বছর শেষ হয়ে যাবে। তাই শুরু থেকেই তোমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। সে অনুযায়ী চলার মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আশা করি জাতিকে একটি মানবিক মানুষ উপহার দেবে। দেশ ও মানবতায় সেবায় কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নবীন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী উপহার প্রদানের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং প্রবীণ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।