১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাজ না করেই বিল উত্তোলন: গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পের মূলধন অংশের ‘অনাবাসিক ভবন’ খাতের কাজ (W-1) প্যাকেজ বাস্তবায়নে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের ডিপিপি (DPP), আরডিপিপি (RDPP) কিংবা হোপ (HOPE)-এর অনুমোদন ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি প্যাকেজকে ৮টি পৃথক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয় এবং ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হয়।

এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ৮টি প্যাকেজের বিপরীতে প্রদত্ত বিলের ক্ষেত্রে বাস্তবে কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এছাড়া বর্ণিত কাজ বাস্তবায়নের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডসহ আরও ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফিলিং স্টেশনে গাড়ির লাইন, তীব্র যানজট

কাজ না করেই বিল উত্তোলন: গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পের মূলধন অংশের ‘অনাবাসিক ভবন’ খাতের কাজ (W-1) প্যাকেজ বাস্তবায়নে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের ডিপিপি (DPP), আরডিপিপি (RDPP) কিংবা হোপ (HOPE)-এর অনুমোদন ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি প্যাকেজকে ৮টি পৃথক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয় এবং ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হয়।

এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ৮টি প্যাকেজের বিপরীতে প্রদত্ত বিলের ক্ষেত্রে বাস্তবে কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এছাড়া বর্ণিত কাজ বাস্তবায়নের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডসহ আরও ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

শু/সবা