১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে জিতলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক করবে জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে অগ্রাধিকার দেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম, জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। ভারতের এনডিটিভি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

জামায়াতের আমির বলেন, “ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই এবং এটাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।” তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে ভারতে সফরের ব্যাপারে কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই।

ডা. শফিকুর রহমান ভোটকে ঘিরে দেশের পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা সমান। এখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা কখনও ধর্মবিশ্বাসজনিত কারণে কোনো নাগরিককে কম মর্যাদা দিই না।”

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১৬ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর এবার দেশের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এই জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ নিরাপদ রাখতে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যদিও জামায়াতের সমর্থকরা দলের জয়কে সম্ভাব্য বলে দেখছেন, দলটির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

শু/সবা

আলহাজ ময়নাল হকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নির্বাচনে জিতলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক করবে জামায়াত

আপডেট সময় : ০৯:২৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে অগ্রাধিকার দেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম, জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। ভারতের এনডিটিভি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

জামায়াতের আমির বলেন, “ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই এবং এটাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।” তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে ভারতে সফরের ব্যাপারে কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই।

ডা. শফিকুর রহমান ভোটকে ঘিরে দেশের পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা সমান। এখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা কখনও ধর্মবিশ্বাসজনিত কারণে কোনো নাগরিককে কম মর্যাদা দিই না।”

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১৬ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর এবার দেশের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এই জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ নিরাপদ রাখতে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যদিও জামায়াতের সমর্থকরা দলের জয়কে সম্ভাব্য বলে দেখছেন, দলটির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

শু/সবা