০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজিপির ৩ সদস্যকে ফেরত পাঠাল বিজিবি 

আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ করায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) তিনজন সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯ টার দিকে বাংলাদেশ সীমানা টেকনাফ ২ বিজিবির ঝিমংখালি বিওপির শূন্যলাইন থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে অস্ত্র-গুলি, ওয়াকিটকি, মোবাইল সেট ও ইঞ্জিনচালিত একটি কাঠের নৌকাসহ তাদের আটক করা হয়।
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ ঘটনায় সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঝিমংখালি বিওপির টহলরত ৬ জন বিজিবি সদস্য ঝিমংখালি উসমানের ঘেরের পাশেল খালের মুখ নামক এলাকায় ছিলেন। ওখানে মিয়ানমারের ৭ বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) তিনজন সদস্য একটি কাঠের নৌকা করে বাংলাদেশে অভ্যন্তরে চলে আসে। টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ঝিমংখালি বিওপি থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৩ কিলোমিটার পূর্বদিকে দায়িত্বরত বিআরএম-১৬ থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৪০০ গজ উত্তর পূর্ব দিকে। শূন্যলাইন থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৫০০ গজ আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে এরা ঢুকে পড়েন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ টি অস্ত্র ৩টি ম্যাগাজিন ৪১ রাউন্ড গুলি, ১টি টিওইটি (ওয়াকিটকি) সেট ও ১টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা এবং ব্যক্তিগত ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটকের পর বিজিবির সদস্যরা টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর নিয়ে যাওয়া হয় তাদের।
পরে বিকেল টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়া ট্রানজিট ঘাটে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে অস্ত্রসহ আটক তিনজন বিজিপির সদস্যকে কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় বিজিবি।

বিজিপির ৩ সদস্যকে ফেরত পাঠাল বিজিবি 

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৩
আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ করায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) তিনজন সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯ টার দিকে বাংলাদেশ সীমানা টেকনাফ ২ বিজিবির ঝিমংখালি বিওপির শূন্যলাইন থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে অস্ত্র-গুলি, ওয়াকিটকি, মোবাইল সেট ও ইঞ্জিনচালিত একটি কাঠের নৌকাসহ তাদের আটক করা হয়।
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ ঘটনায় সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঝিমংখালি বিওপির টহলরত ৬ জন বিজিবি সদস্য ঝিমংখালি উসমানের ঘেরের পাশেল খালের মুখ নামক এলাকায় ছিলেন। ওখানে মিয়ানমারের ৭ বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) তিনজন সদস্য একটি কাঠের নৌকা করে বাংলাদেশে অভ্যন্তরে চলে আসে। টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ঝিমংখালি বিওপি থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৩ কিলোমিটার পূর্বদিকে দায়িত্বরত বিআরএম-১৬ থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৪০০ গজ উত্তর পূর্ব দিকে। শূন্যলাইন থেকে আনুমানিক দূরত্ব ৫০০ গজ আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে এরা ঢুকে পড়েন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ টি অস্ত্র ৩টি ম্যাগাজিন ৪১ রাউন্ড গুলি, ১টি টিওইটি (ওয়াকিটকি) সেট ও ১টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা এবং ব্যক্তিগত ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটকের পর বিজিবির সদস্যরা টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর নিয়ে যাওয়া হয় তাদের।
পরে বিকেল টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়া ট্রানজিট ঘাটে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে অস্ত্রসহ আটক তিনজন বিজিপির সদস্যকে কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় বিজিবি।