11:22 pm, Monday, 11 May 2026

বাকৃবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন-টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা শুরু

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা-২০২৬’।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ ক্রীড়া আসরের পর্দা ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৩০৭ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ১৯১ জন ছাত্র ও ১১৬ জন ছাত্রী রয়েছেন। প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ১১ মে পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ও প্রতিযোগিতার সদস্য-সচিব কৃষিবিদ মো. আসাদুল হক সজল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন এবং প্রভোস্ট কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোখলেছুর রহমান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এমন একটি ক্রীড়া আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বাকৃবির জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা মনে করি, খেলাধুলা লেখাপড়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, অংশগ্রহণই মুখ্য। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, শৃঙ্খল ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। হারিয়ে যাওয়া দেশীয় খেলাধুলাকে আবার মাঠে ফিরিয়ে আনতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয়ের চেয়ে অংশগ্রহণ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ময়মনসিংহের আতিথেয়তা ও সুন্দর পরিবেশ তাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

 

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

twelve + 16 =

About Author Information

Popular Post

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা, স্কালোনির স্কোয়াডে চমক

বাকৃবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন-টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা শুরু

Update Time : ০৬:৩৯:০৭ pm, Thursday, ৭ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা-২০২৬’।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ ক্রীড়া আসরের পর্দা ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৩০৭ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ১৯১ জন ছাত্র ও ১১৬ জন ছাত্রী রয়েছেন। প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ১১ মে পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ও প্রতিযোগিতার সদস্য-সচিব কৃষিবিদ মো. আসাদুল হক সজল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন এবং প্রভোস্ট কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোখলেছুর রহমান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এমন একটি ক্রীড়া আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বাকৃবির জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা মনে করি, খেলাধুলা লেখাপড়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, অংশগ্রহণই মুখ্য। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, শৃঙ্খল ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। হারিয়ে যাওয়া দেশীয় খেলাধুলাকে আবার মাঠে ফিরিয়ে আনতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয়ের চেয়ে অংশগ্রহণ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ময়মনসিংহের আতিথেয়তা ও সুন্দর পরিবেশ তাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

 

শু/সবা