স্বাস্থ্যখাতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের অবমূল্যায়ন করে দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন। তিনি একে সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী নীতি’ বলে অভিহিত করেছেন।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেলিম উদ্দীন বলেন, স্বাস্থ্যখাতের মূল দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদায়ন করা হলে এ খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। যোগ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের উপেক্ষা করে অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও শহীদদের আত্মত্যাগের পর দেশে ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই। অতীতে যারা জনগণের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং স্বাস্থ্যখাতকে সংকটে ফেলেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর উত্তর জামায়াতের মেডিকেল বিভাগের থানা আমির ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মোট বাজেটের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। অথচ বাংলাদেশে এ খাতে বরাদ্দ মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ, যা জিডিপির এক শতাংশেরও কম।
তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও বৈষম্য দূর করে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
মানববন্ধনে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 
























