০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে নবগঙ্গা নদীর বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
  • 36

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদী দখলমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির
আয়োজন করে সদর উপজেলার জাড়গ্রামসহ ৫ টি গ্রামের মৎস্যজীবি ও বাসিন্দারা।
কর্মসূচিতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এলাকাবাসী, মৎস্যজীবীসহ নানা শ্রেণী- পেশার মানুষ অংশ নেয়। সেসময় স্থানীয় মৎস্যজীবি বিমল কুমার, মহন্তলাল,
জয়গোপাল, পরিতোষ কুমার, কৃষক ওসমান গণি, আমিরুল ইসলাম, গোলাম মওলা, ট্যাংরা বিশ্বাস , গোলাম মোস্তফা, কামরুল ইসলাম, আবুল কালাম, সবুর হোসেনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার জাড়গ্রাম, হামিরহাটি, চাঁদপুর, হাকিমপুর ও রাউতাইল গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদীর ৮ টি স্থানে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে পার্শবর্তী হরিণাকুন্ডু উপজেলার প্রভাবশালী ফজলু মালিথা, রবিউল ইসলামসহ দখলদাররা। স্থানীয় কৃষকরা নদীতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। এমনকি নদীর পানিও ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। তাই দ্রুত বাঁধ অপসারণ করার দাবি তাদের। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে তাদের দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেন তারা।

ঝিনাইদহে নবগঙ্গা নদীর বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদী দখলমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির
আয়োজন করে সদর উপজেলার জাড়গ্রামসহ ৫ টি গ্রামের মৎস্যজীবি ও বাসিন্দারা।
কর্মসূচিতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এলাকাবাসী, মৎস্যজীবীসহ নানা শ্রেণী- পেশার মানুষ অংশ নেয়। সেসময় স্থানীয় মৎস্যজীবি বিমল কুমার, মহন্তলাল,
জয়গোপাল, পরিতোষ কুমার, কৃষক ওসমান গণি, আমিরুল ইসলাম, গোলাম মওলা, ট্যাংরা বিশ্বাস , গোলাম মোস্তফা, কামরুল ইসলাম, আবুল কালাম, সবুর হোসেনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার জাড়গ্রাম, হামিরহাটি, চাঁদপুর, হাকিমপুর ও রাউতাইল গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদীর ৮ টি স্থানে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে পার্শবর্তী হরিণাকুন্ডু উপজেলার প্রভাবশালী ফজলু মালিথা, রবিউল ইসলামসহ দখলদাররা। স্থানীয় কৃষকরা নদীতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। এমনকি নদীর পানিও ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। তাই দ্রুত বাঁধ অপসারণ করার দাবি তাদের। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে তাদের দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেন তারা।