১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আদ্যোশক্তির দেবী ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা মূর্তির পূজা

গোপালগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীয্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আদ্যোশক্তির দেবী শ্যামা বা কালি পূঁজা।
এদিন সবার নজর কেড়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা – কালি দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় পূঁজার আনুষ্ঠানিকতা।এ প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা। সড়কে করা হয়েছে আলোকসজ্জ্বা। এ পূজা উপলক্ষে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পূজা শেষ হলেও এ উপলক্ষে চলছে ১০ দিন ব্যাপী গ্রামীন মেলা।

সনাতন পঞ্জিকা মতে কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে শ্যামা-কালি পূজা। পূর্ণ লাভের আশায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাসা বাড়ীতে মন্দির তৈরী করে এ পূজা করে থাকেন। তবে এ বছর নজর কেড়েছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী উত্তরপাড়া গ্রামবাসী আয়োজিত দেশের সর্ববৃহৎ ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যা থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও মূলপূজা শুরু হয় মধ্যরাত থেকে।

এ প্রতিমা দেখতে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের জেলা থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে ভীড করেন দর্শনার্থীরা। দেশ ও জাতির মঙ্গলসহ সকলের মনোবাসনা পূর্ণ হবে এমনটাই চাওয়া দর্শনার্থীদের।
১৪ জন প্রতিমা শিল্পী দিনরাত পরিশ্রম করে ১৮ দিনে এ প্রতিমা তৈরী করেন। এ পূজা জাঁকজমকভাবে করতে প্যান্ডেল, লাইটিংসহ বর্ণিল রূপে সাজানো হয়। সড়ক গুলোতে করা হয়েছে আলোকসজ্জ্বা। নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এ পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও দর্শনার্থীদের জন্য এ প্রতিমা থাকবে ২১ অক্টোবর পযর্ন্ত। এ পূজা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী গ্রাম্যমেলার।
দর্শনার্থী সঙ্গীতা রায় বলেন, এত বড় প্রতিমা দিয়ে শ্যামা পূজা হচ্ছে শুনে মা বাবার সাথে দেখতে এসেছি। ৩২ হাত প্রতিমা দেখতে পেরে অনেক ভাল লাগছে।

দর্শনার্থী গৃহবধূ রূপা সাহা বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ৩২ হাত প্রতিমা দিয়ে শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে এখানে দেখতে এসেছি। সাথে পরিবারের সবাই রয়েছে। এছাড়া মেলায় ঘুরলাম। দেশ ও জাতির মঙ্গলসহ সকলের মনোবাসনা পূর্ণ হবে এমনটাই চাওয়া মায়ের কাছে।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম বলেন, এ পূজাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে নজরদারী করা হচ্ছে।
যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে। পুলিশের পাশাপশি স্বেচ্ছাসেবকরা এখানে দায়িত্বে রয়েছে।, শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক চন্দন বিশ্বাস বলেন, মানুষকে আনন্দ দিতে ৩২ হাত প্রতিমা তৈরী করে শ্রীশ্রী শ্যামা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ পূজা রাতেই শেষ হলেও দর্শনার্থীদের জন্য এ প্রতিমা থাকবে ২১ অক্টোবর পযর্ন্ত। আর এ পূজা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী গ্রাম্যমেলার।

গোপালগঞ্জ সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক(এএসআই) মোঃ হোসাইন খান বলেন, এত বড় প্রতিমা দিয়ে আগে কখনো গোপালগঞ্জে পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবারই প্রথম হচ্ছে। যে কারনে এখানে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভীড় হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য গোপালগঞ্জ সদর থানার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মন্দিরসহ পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অব্যাহত অভিযানেও চলছে অবৈধ ক্লিনিক হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার

আদ্যোশক্তির দেবী ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা মূর্তির পূজা

আপডেট সময় : ০৫:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

গোপালগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীয্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আদ্যোশক্তির দেবী শ্যামা বা কালি পূঁজা।
এদিন সবার নজর কেড়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা – কালি দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় পূঁজার আনুষ্ঠানিকতা।এ প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা। সড়কে করা হয়েছে আলোকসজ্জ্বা। এ পূজা উপলক্ষে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পূজা শেষ হলেও এ উপলক্ষে চলছে ১০ দিন ব্যাপী গ্রামীন মেলা।

সনাতন পঞ্জিকা মতে কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে শ্যামা-কালি পূজা। পূর্ণ লাভের আশায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাসা বাড়ীতে মন্দির তৈরী করে এ পূজা করে থাকেন। তবে এ বছর নজর কেড়েছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী উত্তরপাড়া গ্রামবাসী আয়োজিত দেশের সর্ববৃহৎ ৩২ হাত উচ্চতার বিশালাকৃতির শ্যামা দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যা থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও মূলপূজা শুরু হয় মধ্যরাত থেকে।

এ প্রতিমা দেখতে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের জেলা থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে ভীড করেন দর্শনার্থীরা। দেশ ও জাতির মঙ্গলসহ সকলের মনোবাসনা পূর্ণ হবে এমনটাই চাওয়া দর্শনার্থীদের।
১৪ জন প্রতিমা শিল্পী দিনরাত পরিশ্রম করে ১৮ দিনে এ প্রতিমা তৈরী করেন। এ পূজা জাঁকজমকভাবে করতে প্যান্ডেল, লাইটিংসহ বর্ণিল রূপে সাজানো হয়। সড়ক গুলোতে করা হয়েছে আলোকসজ্জ্বা। নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এ পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও দর্শনার্থীদের জন্য এ প্রতিমা থাকবে ২১ অক্টোবর পযর্ন্ত। এ পূজা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী গ্রাম্যমেলার।
দর্শনার্থী সঙ্গীতা রায় বলেন, এত বড় প্রতিমা দিয়ে শ্যামা পূজা হচ্ছে শুনে মা বাবার সাথে দেখতে এসেছি। ৩২ হাত প্রতিমা দেখতে পেরে অনেক ভাল লাগছে।

দর্শনার্থী গৃহবধূ রূপা সাহা বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ৩২ হাত প্রতিমা দিয়ে শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে এখানে দেখতে এসেছি। সাথে পরিবারের সবাই রয়েছে। এছাড়া মেলায় ঘুরলাম। দেশ ও জাতির মঙ্গলসহ সকলের মনোবাসনা পূর্ণ হবে এমনটাই চাওয়া মায়ের কাছে।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম বলেন, এ পূজাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে নজরদারী করা হচ্ছে।
যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে। পুলিশের পাশাপশি স্বেচ্ছাসেবকরা এখানে দায়িত্বে রয়েছে।, শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক চন্দন বিশ্বাস বলেন, মানুষকে আনন্দ দিতে ৩২ হাত প্রতিমা তৈরী করে শ্রীশ্রী শ্যামা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ পূজা রাতেই শেষ হলেও দর্শনার্থীদের জন্য এ প্রতিমা থাকবে ২১ অক্টোবর পযর্ন্ত। আর এ পূজা উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী গ্রাম্যমেলার।

গোপালগঞ্জ সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক(এএসআই) মোঃ হোসাইন খান বলেন, এত বড় প্রতিমা দিয়ে আগে কখনো গোপালগঞ্জে পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবারই প্রথম হচ্ছে। যে কারনে এখানে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভীড় হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য গোপালগঞ্জ সদর থানার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মন্দিরসহ পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।