০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জবিতে বিশ্ব দর্শন দিবস পালন

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
  • 48

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ব দর্শন দিবস-২০২৩ পালন করা হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে “বহুসংস্কৃতির বিশ্বে দার্শনিক প্রতিফলন”। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলুন উড়িয়ে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। পরে ড. কামালউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এসময় দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামসহ শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিশ্ব দর্শন দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা এবং উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “যেসকল শিক্ষার্থীরা দর্শন নিয়ে পড়াশুনা করে তারা সাম্প্রদায়িক হবে না আমি এবিষয়ে একমত। এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আলাদা আবেগ রয়েছে যে কারনে তারা অনেক উৎফুল্ল থাকে। আমাদের ভালো মানুষ হতে হবে এবং কথায় ও কাজে ব্যবধান দূর করতে হবে।”
তিনি আরো বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সংগ্রাম শুরু করে, তাদের মধ্যে বেঁচে থাকার তাড়না তৈরি হয় আর এই তাড়না থেকেই তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই সফল হয়। যেকোনো জায়গায় নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে, এটাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় অর্জন ও বড় সম্পদ।”

দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং আলোচক হিসেবে ছিলেন বিভাগীয় অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়াও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শংকর জোয়াদ্দার।

এসময় অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ফুল দিয়ে ১৬, ১৭ ও ১৮তম ব্যাচের নবীণ শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় এবং ১১, ১২ ও ১৩তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ সময় বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের আনন্দ ও দুঃখের স্মৃতিচারণ করেন এবং নতুনেরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আগমনের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব দর্শন দিবসের ঘোষণা দেয়। ২০০৫ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দর্শন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফলে নিয়মিতভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ব দর্শন দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

জবিতে বিশ্ব দর্শন দিবস পালন

আপডেট সময় : ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ব দর্শন দিবস-২০২৩ পালন করা হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে “বহুসংস্কৃতির বিশ্বে দার্শনিক প্রতিফলন”। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলুন উড়িয়ে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। পরে ড. কামালউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এসময় দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামসহ শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিশ্ব দর্শন দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা এবং উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “যেসকল শিক্ষার্থীরা দর্শন নিয়ে পড়াশুনা করে তারা সাম্প্রদায়িক হবে না আমি এবিষয়ে একমত। এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আলাদা আবেগ রয়েছে যে কারনে তারা অনেক উৎফুল্ল থাকে। আমাদের ভালো মানুষ হতে হবে এবং কথায় ও কাজে ব্যবধান দূর করতে হবে।”
তিনি আরো বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সংগ্রাম শুরু করে, তাদের মধ্যে বেঁচে থাকার তাড়না তৈরি হয় আর এই তাড়না থেকেই তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই সফল হয়। যেকোনো জায়গায় নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে, এটাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় অর্জন ও বড় সম্পদ।”

দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং আলোচক হিসেবে ছিলেন বিভাগীয় অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়াও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শংকর জোয়াদ্দার।

এসময় অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ফুল দিয়ে ১৬, ১৭ ও ১৮তম ব্যাচের নবীণ শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় এবং ১১, ১২ ও ১৩তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ সময় বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের আনন্দ ও দুঃখের স্মৃতিচারণ করেন এবং নতুনেরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আগমনের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব দর্শন দিবসের ঘোষণা দেয়। ২০০৫ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দর্শন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফলে নিয়মিতভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ব দর্শন দিবস পালন করা হয়ে থাকে।