০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেট-২ আসনের ইলিয়াস আলীর পরে আমি বেশি উন্নয়ন করেছি

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেছেন, ইলিয়াস আলীর পরে আমি এলাকার সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছি। ১০ম জাতীয় সংসদে নির্বাচনে মহাজোট থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় সার্বিক যে উন্নয়ন করেছি তা আপনারা দেখেছেন। এলাকার উন্নয়ন পাওয়ার সার্থে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারে নির্বাচনী শেষ জনসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
আব্দুল মুমিন এর সভাপতিতে এবং মকবুল হোসেন ও শেখ আসসুজ্জামানের যৌথ পরিচালনায় নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইয়াইয়ায়া চৌধুরী, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ছহুল আল রাজি, জেলা জাতীয় পার্টির যুন্ম আহবায়ক সুফি মাহমুদ, জাতীয় পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আশরাফ মিয়া সিরাজ, আমিরুল ইসলাম সিকদার, লুৎফুর রহমান ফয়সল, আফতাব আলী, তেরাবালি, আতিক মিয়া, মুজিবুর রহমান, মুমহি মাহমুদ , রজিউর রহমান মানিক, মুকিদ মিয়া, জিলু মিয়া প্রমূখ।

আলহাজ ময়নাল হকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

সিলেট-২ আসনের ইলিয়াস আলীর পরে আমি বেশি উন্নয়ন করেছি

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেছেন, ইলিয়াস আলীর পরে আমি এলাকার সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছি। ১০ম জাতীয় সংসদে নির্বাচনে মহাজোট থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় সার্বিক যে উন্নয়ন করেছি তা আপনারা দেখেছেন। এলাকার উন্নয়ন পাওয়ার সার্থে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারে নির্বাচনী শেষ জনসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
আব্দুল মুমিন এর সভাপতিতে এবং মকবুল হোসেন ও শেখ আসসুজ্জামানের যৌথ পরিচালনায় নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইয়াইয়ায়া চৌধুরী, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ছহুল আল রাজি, জেলা জাতীয় পার্টির যুন্ম আহবায়ক সুফি মাহমুদ, জাতীয় পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আশরাফ মিয়া সিরাজ, আমিরুল ইসলাম সিকদার, লুৎফুর রহমান ফয়সল, আফতাব আলী, তেরাবালি, আতিক মিয়া, মুজিবুর রহমান, মুমহি মাহমুদ , রজিউর রহমান মানিক, মুকিদ মিয়া, জিলু মিয়া প্রমূখ।