০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সবাই মিলে সমন্বয় করে দূষণরোধে কাজ করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা পরিবেশ দূষণরোধে মানমাত্রা ঠিক করে দেই। কিন্তু সেটা আমরা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। এখানে বিআরটিএ, মেট্রোপলিটন, শিল্প ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সবার প্রয়োজন আছে। এই পরিবেশ দূষণরোধ যে সবাই মিলে করতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই সবাই মিলে সমন্বয় করে দূষণরোধে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পানি ভবনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ঢাকা ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সহাবস্থান করেই বাঁচতে হবে। নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়। এ লক্ষ্যে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং পানিসম্পদ ব্যবহারের টেকসইকরণে জোর দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের নদীর পাড় ভাঙন এখন বড় একটি টার্ম, ক্লাইমেট রিফিউজি। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। এসব বিষয়ে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা যদি পরবর্তী ৫০ বছরের দিকে তাকাই তা কীভাবে দেখব সেটা নির্ভর করবে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সম্পর্কের ওপর।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। কর্মশালায় মূল বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সাবেক উন্নয়ন গবেষণা প্রধান ড. নজরুল ইসলাম। কর্মশালা পরিচালনা করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাসকিম এ খান।

 

 

স/ম

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মের ছুটি কমল

সবাই মিলে সমন্বয় করে দূষণরোধে কাজ করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা পরিবেশ দূষণরোধে মানমাত্রা ঠিক করে দেই। কিন্তু সেটা আমরা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। এখানে বিআরটিএ, মেট্রোপলিটন, শিল্প ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সবার প্রয়োজন আছে। এই পরিবেশ দূষণরোধ যে সবাই মিলে করতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই সবাই মিলে সমন্বয় করে দূষণরোধে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পানি ভবনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ঢাকা ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সহাবস্থান করেই বাঁচতে হবে। নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়। এ লক্ষ্যে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং পানিসম্পদ ব্যবহারের টেকসইকরণে জোর দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের নদীর পাড় ভাঙন এখন বড় একটি টার্ম, ক্লাইমেট রিফিউজি। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। এসব বিষয়ে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা যদি পরবর্তী ৫০ বছরের দিকে তাকাই তা কীভাবে দেখব সেটা নির্ভর করবে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সম্পর্কের ওপর।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। কর্মশালায় মূল বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সাবেক উন্নয়ন গবেষণা প্রধান ড. নজরুল ইসলাম। কর্মশালা পরিচালনা করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাসকিম এ খান।

 

 

স/ম