১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফেনী সোনাগাজীর ভোর বাজারে অগ্নিকান্ড ৭ দোকান পুড়ে ২০ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি

ফেনীর সোনাগাজী নবাবপুর ইউনিয়নের ভোর বাজারের কাঁচা বাজারে অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। ৪ ফেব্রুয়ারী রোববার ভোর রাতে বিদ্যুতের শট সার্কিট থেকে অগ্নিপাতের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ফার্য়ার সার্ভিস ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী সূত্রে জানাগেছে, ভোর রাতে আবুল কালামের মুদি দোকান থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হলে মুহূর্ত্বের মধ্যে মনির উদ্দিনের মুদি দোকান, সাইফুল ইসলামের মুরগীর দোকান, আলা উদ্দিনের শাক সবজির দোকান, সোহাগ মিয়ার শুটকির দোকান ও শরিফুল ইসলামের মুদি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। স্থানীয়রা ফার্য়ার সাভির্সকে খবর দিলে তারা এসে দীর্ঘ একঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ততক্ষনে দোকান গুলোর অধিকাংশ মালামাল পড়ে ছাই হয়ে যায়।

নবাবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জানান, অগ্নিকান্ডে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তাদের হাহাকার দেখে খারাপ লেগেছে। অনেকে কিছুই উদ্ধার করতে পারেনি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সাধ্য অনুযায়ী সহায়তা করা হবে।

সোনাগাজী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার জামিল আহাম্মদ জানান, বাজারে প্রচুর দোকান, ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটেছিলো। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ব্যবসায়ীদের ক্ষয়ক্ষতি আরো বেড়ে যেত।

ফেনী সোনাগাজীর ভোর বাজারে অগ্নিকান্ড ৭ দোকান পুড়ে ২০ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
ফেনীর সোনাগাজী নবাবপুর ইউনিয়নের ভোর বাজারের কাঁচা বাজারে অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। ৪ ফেব্রুয়ারী রোববার ভোর রাতে বিদ্যুতের শট সার্কিট থেকে অগ্নিপাতের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ফার্য়ার সার্ভিস ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী সূত্রে জানাগেছে, ভোর রাতে আবুল কালামের মুদি দোকান থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হলে মুহূর্ত্বের মধ্যে মনির উদ্দিনের মুদি দোকান, সাইফুল ইসলামের মুরগীর দোকান, আলা উদ্দিনের শাক সবজির দোকান, সোহাগ মিয়ার শুটকির দোকান ও শরিফুল ইসলামের মুদি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। স্থানীয়রা ফার্য়ার সাভির্সকে খবর দিলে তারা এসে দীর্ঘ একঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ততক্ষনে দোকান গুলোর অধিকাংশ মালামাল পড়ে ছাই হয়ে যায়।

নবাবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জানান, অগ্নিকান্ডে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তাদের হাহাকার দেখে খারাপ লেগেছে। অনেকে কিছুই উদ্ধার করতে পারেনি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সাধ্য অনুযায়ী সহায়তা করা হবে।

সোনাগাজী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার জামিল আহাম্মদ জানান, বাজারে প্রচুর দোকান, ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটেছিলো। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ব্যবসায়ীদের ক্ষয়ক্ষতি আরো বেড়ে যেত।