১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চবিতে শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। টানা চতুর্থ দিনের আন্দোলন চলমান রেখেছে শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি ) ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন করে   বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

২০২০-২০২১ সেশনের ইশরাত বলেন, এমন অপরাধ আরও আগ থেকে হয়ে আসছে। কেউ আত্মসম্মানের ভয়ে সাহস করে কোন অভিযোগ করেনি। এই আপু অভিযোগ করেছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটা শাস্তির আয়োজন করবে তার নজির সারাজীবন থাকবে। যেন কেউ কোনদিন এমন জগন্য কাজ করতে না পারে।

জানতে চাইলে বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ ফারদিন বলেন, আমরা সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধনে নেমেছি। তাকে বিভাগের সকল কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী বহিষ্কার বা মামলা কোনটায় করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা না হয় আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

একই শ্রেণির ফাহিম শাহরিয়ার নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের দুইটি দাবি সেগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটা মামলা করবে আর তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এর সুষ্ঠু বিচার না পায় আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে যতদিন পর্যন্ত তদন্তের কাজ শেষ না হয় ততদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.দেবাশিষ পালিত।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার(৩১জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্য শিরীণ আখতারের কাছে  এক শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের এক অধ্যাপক সম্পর্কে লিখিতভাবে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেন। এর পর থেকে সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

তবে অভিযুক্ত অধ্যাপক অভিযোগটি অস্বীকার করে নিজ পাপের ফল বলে দাবি করেছেন। এছাড়াও ৩১ বছরের শিক্ষকতার জীবনে এ ধরনের কাজের সাথে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

টিউশনের নামে প্রতারণার ফাঁদ

চবিতে শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। টানা চতুর্থ দিনের আন্দোলন চলমান রেখেছে শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি ) ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন করে   বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

২০২০-২০২১ সেশনের ইশরাত বলেন, এমন অপরাধ আরও আগ থেকে হয়ে আসছে। কেউ আত্মসম্মানের ভয়ে সাহস করে কোন অভিযোগ করেনি। এই আপু অভিযোগ করেছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটা শাস্তির আয়োজন করবে তার নজির সারাজীবন থাকবে। যেন কেউ কোনদিন এমন জগন্য কাজ করতে না পারে।

জানতে চাইলে বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ ফারদিন বলেন, আমরা সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধনে নেমেছি। তাকে বিভাগের সকল কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী বহিষ্কার বা মামলা কোনটায় করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা না হয় আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

একই শ্রেণির ফাহিম শাহরিয়ার নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের দুইটি দাবি সেগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটা মামলা করবে আর তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এর সুষ্ঠু বিচার না পায় আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে যতদিন পর্যন্ত তদন্তের কাজ শেষ না হয় ততদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.দেবাশিষ পালিত।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার(৩১জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্য শিরীণ আখতারের কাছে  এক শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের এক অধ্যাপক সম্পর্কে লিখিতভাবে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেন। এর পর থেকে সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

তবে অভিযুক্ত অধ্যাপক অভিযোগটি অস্বীকার করে নিজ পাপের ফল বলে দাবি করেছেন। এছাড়াও ৩১ বছরের শিক্ষকতার জীবনে এ ধরনের কাজের সাথে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেন।