০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য “মক্তির সনদ “

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে প্রতিষ্ঠিত ছয় দফার উপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য ”মুক্তির সনদ”। এ ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি। ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয় ২৪শে মার্চ ২০২০ (১০ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ)।

বাঙালি জাতির ইতিহাসে ছয় দফা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের এই ঐতিহাসিক ৬ দফার মাধ্যমেই অধিকার আদায়ের সচেতন করে তুলেছিলেন। এই ছয় দফার মাধ্যমে পূর্ব বাংলার একজন কৃষকও অনুধাবন করতে পেরেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ নীতি সর্ম্পকে- এটিই ছিল ছয় দফার সার্থকতা। এই ছয় দফার মাধ্যমেই বাঙালি জাতি নিজেদের অধিকার আদায়ে সচেতন হয় এবং স্বাধীনতাকামী হয়ে উঠে। ”

‘মুক্তির সনদ’ ভাস্কর্য সর্ম্পকে অধ্যক্ষ, অধ্যাপক মোঃ মোহসিন কবীর একটা সাক্ষাতকারে বলেন , ”মুক্তির সনদ হচ্ছে বাংলাদেশে ছয় দফার উপর নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য। যেহেতু এই কলেজের ভবনগুলো একটু পুরাতন তাই সে সব কিছু মাথায় রেখে এ ভাস্কর্যটি করা হয়েছে স্থানান্তর যোগ্য। অর্থাৎ যেকোন প্রয়োজনে এটি স্থানান্তর করা যাবে অতি অল্প সময়ে এবং কম খরচে। বাঙালির ঐতিহাসিক এই ছয় দফার যে দাবিগুলো অনেকে নিজের মনে মত করে মাধুর্য মিশিয়ে লিখতে শুরু করেছিল। কিন্তু এখানে বঙ্গবন্ধুর ঠিক যে ভাষায় এই দাবিগুলো তৎকালীন লাহোরে বিরোধী দলের অধিবেশনে তুলে ধরেছিলেন সে ভাষায়ই এ দাবিগুলো তুলে ধরেছেন ছয়টি স্তম্ভে। এতে সর্বাত্মক সহায়তা করছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী।”

জনপ্রিয় সংবাদ

টিউশনের নামে প্রতারণার ফাঁদ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য “মক্তির সনদ “

আপডেট সময় : ০৬:১৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে প্রতিষ্ঠিত ছয় দফার উপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য ”মুক্তির সনদ”। এ ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি। ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয় ২৪শে মার্চ ২০২০ (১০ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ)।

বাঙালি জাতির ইতিহাসে ছয় দফা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের এই ঐতিহাসিক ৬ দফার মাধ্যমেই অধিকার আদায়ের সচেতন করে তুলেছিলেন। এই ছয় দফার মাধ্যমে পূর্ব বাংলার একজন কৃষকও অনুধাবন করতে পেরেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ নীতি সর্ম্পকে- এটিই ছিল ছয় দফার সার্থকতা। এই ছয় দফার মাধ্যমেই বাঙালি জাতি নিজেদের অধিকার আদায়ে সচেতন হয় এবং স্বাধীনতাকামী হয়ে উঠে। ”

‘মুক্তির সনদ’ ভাস্কর্য সর্ম্পকে অধ্যক্ষ, অধ্যাপক মোঃ মোহসিন কবীর একটা সাক্ষাতকারে বলেন , ”মুক্তির সনদ হচ্ছে বাংলাদেশে ছয় দফার উপর নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য। যেহেতু এই কলেজের ভবনগুলো একটু পুরাতন তাই সে সব কিছু মাথায় রেখে এ ভাস্কর্যটি করা হয়েছে স্থানান্তর যোগ্য। অর্থাৎ যেকোন প্রয়োজনে এটি স্থানান্তর করা যাবে অতি অল্প সময়ে এবং কম খরচে। বাঙালির ঐতিহাসিক এই ছয় দফার যে দাবিগুলো অনেকে নিজের মনে মত করে মাধুর্য মিশিয়ে লিখতে শুরু করেছিল। কিন্তু এখানে বঙ্গবন্ধুর ঠিক যে ভাষায় এই দাবিগুলো তৎকালীন লাহোরে বিরোধী দলের অধিবেশনে তুলে ধরেছিলেন সে ভাষায়ই এ দাবিগুলো তুলে ধরেছেন ছয়টি স্তম্ভে। এতে সর্বাত্মক সহায়তা করছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী।”