১০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শুরু হচ্ছে ‘জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল’

প্রথমবারের মতো স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সচেতনতা ও কোডিং সম্পর্কে ধারণা দিতে আয়োজিদ হচ্ছে ‘জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল’।

জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার বিশ্বে প্রবেশ করার জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই ভিন্নধর্মী প্রতিযোগিতায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা ইন্টারেক্টিভ সেটিংয়ে অ্যাপ এবং গেম ডেভেলপ করতে শিখবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। মূল প্রতিযোগিতা শুরু করার আগে শিক্ষার্থীদের চার মাস ট্রেনিং প্রদান করা হবে। যেন তারা প্রস্তুতি নিয়েই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থীরা একটি মৌলিক জীবন দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আগামীদিনের পৃথিবীতে নতুন যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে সেগুলোর জন্যও নিজেকে প্রস্তুত করবে। এছাড়া এ প্রতিযোগিতা ছোটদের যৌক্তিক ক্ষমতা বাড়াবে, তাদের মনোযোগী করে তুলবে, লেখায় সৃজনশীলতা আনবে, বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ করবে এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়াবে।

জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল সম্পর্কে ক্রিয়েটিভ আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মনির হোসেন বলেন, আমরা আশা করছি অনলাইন এবং অফলাইনের মাধ্যমে ১০ হাজার নিবন্ধনের পাশাপাশি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে সচেতন করার সুযোগ তৈরি হবে। যেখান থেকে ৩টি স্ক্রীনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে শতভাগ স্কলারশিপে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত করা হবে এবং তাদের গ্লোবাল কম্পিটিশনে অংশ গ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেয়া হবে।

এতে তারা প্রযুক্তি নির্ভর যুগের একটি দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে। যা তাদের ভবিষ্যতেও কাজে আসবে। কেননা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ধারণা অন্য সবার থেকে তাদের এগিয়ে রাখবে।

 

স/মিফা

শুরু হচ্ছে ‘জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল’

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রথমবারের মতো স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সচেতনতা ও কোডিং সম্পর্কে ধারণা দিতে আয়োজিদ হচ্ছে ‘জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল’।

জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার বিশ্বে প্রবেশ করার জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই ভিন্নধর্মী প্রতিযোগিতায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা ইন্টারেক্টিভ সেটিংয়ে অ্যাপ এবং গেম ডেভেলপ করতে শিখবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। মূল প্রতিযোগিতা শুরু করার আগে শিক্ষার্থীদের চার মাস ট্রেনিং প্রদান করা হবে। যেন তারা প্রস্তুতি নিয়েই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থীরা একটি মৌলিক জীবন দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আগামীদিনের পৃথিবীতে নতুন যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে সেগুলোর জন্যও নিজেকে প্রস্তুত করবে। এছাড়া এ প্রতিযোগিতা ছোটদের যৌক্তিক ক্ষমতা বাড়াবে, তাদের মনোযোগী করে তুলবে, লেখায় সৃজনশীলতা আনবে, বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ করবে এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়াবে।

জুনিয়রস অ্যাপ অ্যান্ড গেম কার্নিভাল সম্পর্কে ক্রিয়েটিভ আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মনির হোসেন বলেন, আমরা আশা করছি অনলাইন এবং অফলাইনের মাধ্যমে ১০ হাজার নিবন্ধনের পাশাপাশি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে সচেতন করার সুযোগ তৈরি হবে। যেখান থেকে ৩টি স্ক্রীনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে শতভাগ স্কলারশিপে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত করা হবে এবং তাদের গ্লোবাল কম্পিটিশনে অংশ গ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেয়া হবে।

এতে তারা প্রযুক্তি নির্ভর যুগের একটি দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে। যা তাদের ভবিষ্যতেও কাজে আসবে। কেননা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ধারণা অন্য সবার থেকে তাদের এগিয়ে রাখবে।

 

স/মিফা