১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পূজোর গেটে আড়াল হলো জবির প্রধান ফটক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটক ও নামফলক সরস্বতী পূজার জন্য তৈরি করা গেট দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। এর ফলে বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফটক।

শিক্ষার্থীরা জানান, গেট টা আরেকটু নিচের দিকে করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটা ঢাকা পড়তো না। এখন তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বুঝারই উপায় নেই। এর কারণে তো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বাহাদুর শাহ পার্কের অপর পাশে অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকটি। এ ফটকের ঠিক সামনে পূজো উপলক্ষে একটি বড় গেট তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক সম্পূর্ণরুপে ঢাকা পড়েছে। যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটিও দেখা যাচ্ছে না আর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি এখনও খেয়াল করিনি। আর এবছর কমিটিতে কারা আছেন তা জানিনা, কাজ করার সময় আমাদের কিছু জানানোও হয়নি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার বলেন, আমি পূজো কমিটির সদস্যদের জানাচ্ছি বিষয়টা। যাতে গেটটা আরেকটু উপর দিকে উঠিয়ে দেয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটা দেখা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, আমি যখন ক্যাম্পাসে ছিলাম তখন এই গেট করা হয়নি। এটা অনিচ্ছাকৃত হয়তো। আমি প্রক্টরদের বলে দিচ্ছি গেট’টা ঠিকভাবে আবার করা হয় যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঢাকা না পড়ে।

 

 

স/মিফা

পূজোর গেটে আড়াল হলো জবির প্রধান ফটক

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটক ও নামফলক সরস্বতী পূজার জন্য তৈরি করা গেট দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। এর ফলে বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফটক।

শিক্ষার্থীরা জানান, গেট টা আরেকটু নিচের দিকে করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটা ঢাকা পড়তো না। এখন তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বুঝারই উপায় নেই। এর কারণে তো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বাহাদুর শাহ পার্কের অপর পাশে অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকটি। এ ফটকের ঠিক সামনে পূজো উপলক্ষে একটি বড় গেট তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক সম্পূর্ণরুপে ঢাকা পড়েছে। যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটিও দেখা যাচ্ছে না আর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি এখনও খেয়াল করিনি। আর এবছর কমিটিতে কারা আছেন তা জানিনা, কাজ করার সময় আমাদের কিছু জানানোও হয়নি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার বলেন, আমি পূজো কমিটির সদস্যদের জানাচ্ছি বিষয়টা। যাতে গেটটা আরেকটু উপর দিকে উঠিয়ে দেয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলকটা দেখা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, আমি যখন ক্যাম্পাসে ছিলাম তখন এই গেট করা হয়নি। এটা অনিচ্ছাকৃত হয়তো। আমি প্রক্টরদের বলে দিচ্ছি গেট’টা ঠিকভাবে আবার করা হয় যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঢাকা না পড়ে।

 

 

স/মিফা