০৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডাকাতির ঘটনায় চুরি মামলা  হওয়ায় কাঁদলেন শাহানা

যশোরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় চুরি মামলা রেকর্ড হওয়ায় হাউমাউ করে কাঁদলেন শাহানা বেগম। তিনি দাবি করেছেন, ডাকাতির এজাহার বাদ দিয়ে চুরি মামলার এজাহারে সাজিয়ালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম তার কাছ থেকে জোর করে সই নিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। শাহানা বেগম যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।

শাহানা বেগম জানান, গত ১৪ মার্চ রাত ২ টার দিকে তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। বারান্দার গ্রিল কেটে একদল ডাকাত ভিতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা তার বউমা স্বপ্না খাতুনের ঘরে ঢুকে তিন বছরের সন্তান সালমানের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে আলমারির চাবি দিতে বাধ্য করে। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৩ লাখ টাকা ও ২২ লাখ টাকা মূল্যের ২০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ১৫ মার্চ শুক্রবার তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত এজাহার করেন। শাহানা আরও জানান, সেখানে ডাকাতির ঘটনা উল্লেখ করা হলেও সেটি চুরি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তার ডাকাতির এজাহার বাদ দিয়ে সাজিয়ালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম চুরির ঘটনা উল্লেখ করে নতুন এজাহার লিয়ে জোর করে তার কাছ থেকে সই করে নিয়েছেন। সই করতে রাজি না হলে তার সাথে খারাপ ব্যবহারও করা হয়।

চুরির মামলার বিষয়টি তিনি মানতে না পেরে সোমবার হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন শাহানা বেগম। তিনি ঘটনাটির সঠিক তদন্তের জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিষয়ে সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম জানান, তিনি কেনো ডাকাতির এজাহার পাল্টে দেবেন। এছাড়া চুরি মামলার এজাহারে তিনি শাহানার কাছ থেকে জোর করে সই নেননি। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাতির ঘটনায় চুরি মামলা  হওয়ায় কাঁদলেন শাহানা

আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

যশোরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় চুরি মামলা রেকর্ড হওয়ায় হাউমাউ করে কাঁদলেন শাহানা বেগম। তিনি দাবি করেছেন, ডাকাতির এজাহার বাদ দিয়ে চুরি মামলার এজাহারে সাজিয়ালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম তার কাছ থেকে জোর করে সই নিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। শাহানা বেগম যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।

শাহানা বেগম জানান, গত ১৪ মার্চ রাত ২ টার দিকে তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। বারান্দার গ্রিল কেটে একদল ডাকাত ভিতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা তার বউমা স্বপ্না খাতুনের ঘরে ঢুকে তিন বছরের সন্তান সালমানের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে আলমারির চাবি দিতে বাধ্য করে। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৩ লাখ টাকা ও ২২ লাখ টাকা মূল্যের ২০ ভরি সোনার গহনা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ১৫ মার্চ শুক্রবার তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত এজাহার করেন। শাহানা আরও জানান, সেখানে ডাকাতির ঘটনা উল্লেখ করা হলেও সেটি চুরি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তার ডাকাতির এজাহার বাদ দিয়ে সাজিয়ালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম চুরির ঘটনা উল্লেখ করে নতুন এজাহার লিয়ে জোর করে তার কাছ থেকে সই করে নিয়েছেন। সই করতে রাজি না হলে তার সাথে খারাপ ব্যবহারও করা হয়।

চুরির মামলার বিষয়টি তিনি মানতে না পেরে সোমবার হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন শাহানা বেগম। তিনি ঘটনাটির সঠিক তদন্তের জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিষয়ে সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সেলিম জানান, তিনি কেনো ডাকাতির এজাহার পাল্টে দেবেন। এছাড়া চুরি মামলার এজাহারে তিনি শাহানার কাছ থেকে জোর করে সই নেননি। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।