০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাংসের দাম ১০০ টাকা বাড়িয়ে দিলেন সেই খলিল

কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করে দেশজুড়ে আলোচনায় থাকা রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুরের মাংস ব্যবসায়ী ও খলিল গোস্ত বিতানের মালিক খলিলুর রহমান হঠাৎ গরুর মাংসের দাম দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ‘চাপে পড়ে’ কেজিতে ১০০ টাকা দাম বাড়িয়েছেন তিনি।

রমজানের আগে থেকেই প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৯৫ টাকায় বিক্রি করে আসছিলেন খলিলুর রহমান। কিন্তু এই দামে আর বিক্রি করতে পারবেন না ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৯৫ টাকায় বিক্রি করবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে খলিল বলেন, খামার থেকে যে দামে গরু কিনতে হচ্ছে, তাতে ৫৯৫ টাকা দরে মাংস বিক্রি করে পোষাতে পারছিলাম না। লোকসানে পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে মাংসের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বাড়াতে হয়েছে।

লোকসানে পড়ার কারণ জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, আগে কিছুটা কম দামে গরু কিনতে পারছিলাম। কিন্তু এখন আর আগের দামে গরু পাচ্ছি না। আমার নিজের যেহেতু খামার নেই, তাই বাড়তি দামে গরুর কেনা হলে মাংসের দাম না বাড়িয়ে উপায় থাকে না।

তবে ‘চাপে আছেন’ বলতে তিনি কী বোঝাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন আর খুব বেশি কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলা যাবে।

এর আগে, গত বছরের শেষ দিকে বাজারে যখন প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, তখন কম দামে মাংস বিক্রি করে প্রথম আলোচনায় আসেন খলিলুর রহমান। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরও সম্প্রতি এ ব্যবসায়ীকে ‘ব্যবসায় উত্তম চর্চার স্বীকৃতি’ দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাংসের দাম ১০০ টাকা বাড়িয়ে দিলেন সেই খলিল

আপডেট সময় : ০১:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করে দেশজুড়ে আলোচনায় থাকা রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুরের মাংস ব্যবসায়ী ও খলিল গোস্ত বিতানের মালিক খলিলুর রহমান হঠাৎ গরুর মাংসের দাম দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ‘চাপে পড়ে’ কেজিতে ১০০ টাকা দাম বাড়িয়েছেন তিনি।

রমজানের আগে থেকেই প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৯৫ টাকায় বিক্রি করে আসছিলেন খলিলুর রহমান। কিন্তু এই দামে আর বিক্রি করতে পারবেন না ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৯৫ টাকায় বিক্রি করবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে খলিল বলেন, খামার থেকে যে দামে গরু কিনতে হচ্ছে, তাতে ৫৯৫ টাকা দরে মাংস বিক্রি করে পোষাতে পারছিলাম না। লোকসানে পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে মাংসের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বাড়াতে হয়েছে।

লোকসানে পড়ার কারণ জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, আগে কিছুটা কম দামে গরু কিনতে পারছিলাম। কিন্তু এখন আর আগের দামে গরু পাচ্ছি না। আমার নিজের যেহেতু খামার নেই, তাই বাড়তি দামে গরুর কেনা হলে মাংসের দাম না বাড়িয়ে উপায় থাকে না।

তবে ‘চাপে আছেন’ বলতে তিনি কী বোঝাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন আর খুব বেশি কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলা যাবে।

এর আগে, গত বছরের শেষ দিকে বাজারে যখন প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, তখন কম দামে মাংস বিক্রি করে প্রথম আলোচনায় আসেন খলিলুর রহমান। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরও সম্প্রতি এ ব্যবসায়ীকে ‘ব্যবসায় উত্তম চর্চার স্বীকৃতি’ দিয়েছে।