০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেষ সময়ে এসে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা জমে উঠেছে

 

নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত বাণিজ্য মেলা (সিআইটিএফ) আগামী ২৬ মার্চ (মঙ্গলবার) পর্যন্ত চলবে। মেলার শেষ সময়ে এসে বেচাকেনা বেশ জমেছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে নিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের গৃহবধূরা তাদের গৃহস্থালী বিভিন্ন সামগ্রি কেনার জন্য ভীড় করছেন। রমজানের কারণে সকালে মেলার মাঠে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেলেো বেলা বাড়ার সাথে সাথে মেলার প্রতিটি স্টলে বাড়তে থাকে ভীড়। দেশের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি নন্দন প্যাভিলিয়ন গুলোতে বিভিন্ন পণ্যের চলছে ছাড়। কম দামে পণ্য কিনতে ক্রেতারা বানিজ্য মেলায় সময় সুযোগ করে প্রবেশ করেই নিজেদের পছন্দের পণ্য কিনে বাসা বাড়ীতে ফিরছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সনদ ও অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। বক্তব্য দেন চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৪ কমিটির চেয়ারম্যান একেএম আক্তার হোসেন।  

মেয়র বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বিশেষ করে কর্ণফুলী টানেল, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে এই নগরকে আরো আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলেছে। কিন্তু দখলে-দূষণে যদি কর্ণফুলী বুড়িগঙ্গা নদীর মতো হয়ে ওঠে তাহলে এই নগরের অস্তিত্বই থাকবে না। কর্ণফুলীকে বাঁচাতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, যেখানে সেখানে ময়লা ও পলিথিন না ফেলার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনের অংশ হিসেবে ৫৬টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ চলছে। বাকি খালগুলো কীভাবে উদ্ধার করা যায় সেজন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। পরবর্তীতে তা উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগরকে বাসযোগ্য ও জনগণের চলাচল যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়ে সেজন্য অবৈধ ও দখলকৃত ফুটপাত উদ্ধার করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত হকারদের চিহ্নিত করে তাদের জন্য হলিডে এবং নাইট মার্কেট চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে করপোরেশন। তাছাড়া চট্টগ্রামকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং সত্যিকার বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিকমানের কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টার করার জন্য চেষ্টা করছে সিটি করপোরেশন।  

 বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চেম্বারের গুরুত্ব ও ভূমিকা অন্যতম উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে দেশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। গত ২৫ বছরে চট্টগ্রাম শহরের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার ফলে টু টাউন ওয়ান সিটির আদলে চট্টগ্রামকে সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত উপায়ে গড়ে তুলতে হবে। যাতে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কিম সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে আগামীতে বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে অসহায় মা-বাবাকে ফেলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   

মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এছাড়াও চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক অবস্থানে তুলে ধরতে হলে আন্তর্জাতিকমানের বাণিজ্য মেলারও প্রয়োজন রয়েছে। তিনি নগরীর পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরাতে সংশ্রিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, ডাম্পিং স্টেশন, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন ও রিকশামুক্ত সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম বসবাস উপযোগী করে তুলতে এবং নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাতসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সমাজ। জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে ফুটপাতকেন্দ্রিক এ সব ব্যবসায় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও এ থেকে সরকারের কোনো রাজস্ব আয় হয় না। তাই এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসনের জন্য হলিডে ও নাইট মার্কেট চালু করা গেলে সেখান থেকেও রাজস্ব পাবে সরকার। চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক বন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার ও ট্রেড ফেয়ারের জন্য জায়গা বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান চেম্বার সভাপতি। রাইসা মাহবুব বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এ বছরও চিটাগাং চেম্বার স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য বিক্রি করছে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়ন, স্টল এবং ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড ও সনদ দেওয়া হয়। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে টিকে গ্রুপ প্রথম, আবুল খায়ের মিল্ক প্রোডাক্টস লিমিটেড দ্বিতীয় এবং নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেড তৃতীয়; স্টলের মধ্যে ওয়েলবার্গ, ওয়াকারু ও রাজ টেক্সটাইল (রাজ লুঙ্গি) যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে। এছাড়া ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস হিসেবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সেরা নির্বাচিত হয়েছে।  

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ সময়ে এসে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা জমে উঠেছে

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

 

নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত বাণিজ্য মেলা (সিআইটিএফ) আগামী ২৬ মার্চ (মঙ্গলবার) পর্যন্ত চলবে। মেলার শেষ সময়ে এসে বেচাকেনা বেশ জমেছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে নিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের গৃহবধূরা তাদের গৃহস্থালী বিভিন্ন সামগ্রি কেনার জন্য ভীড় করছেন। রমজানের কারণে সকালে মেলার মাঠে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেলেো বেলা বাড়ার সাথে সাথে মেলার প্রতিটি স্টলে বাড়তে থাকে ভীড়। দেশের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি নন্দন প্যাভিলিয়ন গুলোতে বিভিন্ন পণ্যের চলছে ছাড়। কম দামে পণ্য কিনতে ক্রেতারা বানিজ্য মেলায় সময় সুযোগ করে প্রবেশ করেই নিজেদের পছন্দের পণ্য কিনে বাসা বাড়ীতে ফিরছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সনদ ও অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। বক্তব্য দেন চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৪ কমিটির চেয়ারম্যান একেএম আক্তার হোসেন।  

মেয়র বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বিশেষ করে কর্ণফুলী টানেল, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে এই নগরকে আরো আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলেছে। কিন্তু দখলে-দূষণে যদি কর্ণফুলী বুড়িগঙ্গা নদীর মতো হয়ে ওঠে তাহলে এই নগরের অস্তিত্বই থাকবে না। কর্ণফুলীকে বাঁচাতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, যেখানে সেখানে ময়লা ও পলিথিন না ফেলার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনের অংশ হিসেবে ৫৬টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ চলছে। বাকি খালগুলো কীভাবে উদ্ধার করা যায় সেজন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। পরবর্তীতে তা উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগরকে বাসযোগ্য ও জনগণের চলাচল যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়ে সেজন্য অবৈধ ও দখলকৃত ফুটপাত উদ্ধার করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত হকারদের চিহ্নিত করে তাদের জন্য হলিডে এবং নাইট মার্কেট চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে করপোরেশন। তাছাড়া চট্টগ্রামকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং সত্যিকার বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিকমানের কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টার করার জন্য চেষ্টা করছে সিটি করপোরেশন।  

 বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চেম্বারের গুরুত্ব ও ভূমিকা অন্যতম উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে দেশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। গত ২৫ বছরে চট্টগ্রাম শহরের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার ফলে টু টাউন ওয়ান সিটির আদলে চট্টগ্রামকে সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত উপায়ে গড়ে তুলতে হবে। যাতে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কিম সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে আগামীতে বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে অসহায় মা-বাবাকে ফেলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   

মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এছাড়াও চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক অবস্থানে তুলে ধরতে হলে আন্তর্জাতিকমানের বাণিজ্য মেলারও প্রয়োজন রয়েছে। তিনি নগরীর পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরাতে সংশ্রিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, ডাম্পিং স্টেশন, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন ও রিকশামুক্ত সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম বসবাস উপযোগী করে তুলতে এবং নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাতসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সমাজ। জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে ফুটপাতকেন্দ্রিক এ সব ব্যবসায় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও এ থেকে সরকারের কোনো রাজস্ব আয় হয় না। তাই এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসনের জন্য হলিডে ও নাইট মার্কেট চালু করা গেলে সেখান থেকেও রাজস্ব পাবে সরকার। চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক বন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার ও ট্রেড ফেয়ারের জন্য জায়গা বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান চেম্বার সভাপতি। রাইসা মাহবুব বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এ বছরও চিটাগাং চেম্বার স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য বিক্রি করছে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়ন, স্টল এবং ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড ও সনদ দেওয়া হয়। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে টিকে গ্রুপ প্রথম, আবুল খায়ের মিল্ক প্রোডাক্টস লিমিটেড দ্বিতীয় এবং নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেড তৃতীয়; স্টলের মধ্যে ওয়েলবার্গ, ওয়াকারু ও রাজ টেক্সটাইল (রাজ লুঙ্গি) যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে। এছাড়া ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস হিসেবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সেরা নির্বাচিত হয়েছে।