০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জন্মদিনে অনলাইনে অর্ডার করা কেক খেয়ে শিশুর মৃত্যু

উত্তর ভারতের রাজ্য পাঞ্জাবে নিজ জন্মদিনে অনলাইন থেকে অর্ডার করা কেক খেয়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মানভি নামের ১০ বছর বয়সী ওই শিশুর জন্মদিনে পাটিয়ালার একটি বেকারি থেকে কেকটি অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল।

কেক খেয়ে মানভির ছোট বোনসহ পুরো পরিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন শিশুটির দাদা। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে শিশুটিকে খুব খুশি মনে কেকটি কাটতে এবং পরিবারের সাথে উদযাপন করতে দেখা গেছে।

এনডিটিভি জানায়, গত ২৪ মার্চ (রবিবার) শিশুটি সন্ধ্যা ৭টার দিকে অর্ডার করে আনা কেকটি কাটে এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেকটি খায়। এরপর রাত ১০টার দিকে পুরো পরিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানায় তার দাদা হারবান লাল।

মানভি ও তার ছোট বোন প্রথমে বমি করতে শুরু করে। মানভি তখন বারবার পানি চায় ও প্রচণ্ড তৃষ্ণার কথা জানায়। এছাড়া মুখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কথাও জানায় সে। বমি ও অস্বস্তি বোধ করতে করতে রাতে সে ঘুমিয়ে পড়ে।

কিন্তু পরদিন সকালে মানভির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। হাসপাতালে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয় এবং তার ওপর ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্মদিনে অনলাইনে অর্ডার করা কেক খেয়ে শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

উত্তর ভারতের রাজ্য পাঞ্জাবে নিজ জন্মদিনে অনলাইন থেকে অর্ডার করা কেক খেয়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মানভি নামের ১০ বছর বয়সী ওই শিশুর জন্মদিনে পাটিয়ালার একটি বেকারি থেকে কেকটি অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল।

কেক খেয়ে মানভির ছোট বোনসহ পুরো পরিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন শিশুটির দাদা। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে শিশুটিকে খুব খুশি মনে কেকটি কাটতে এবং পরিবারের সাথে উদযাপন করতে দেখা গেছে।

এনডিটিভি জানায়, গত ২৪ মার্চ (রবিবার) শিশুটি সন্ধ্যা ৭টার দিকে অর্ডার করে আনা কেকটি কাটে এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেকটি খায়। এরপর রাত ১০টার দিকে পুরো পরিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানায় তার দাদা হারবান লাল।

মানভি ও তার ছোট বোন প্রথমে বমি করতে শুরু করে। মানভি তখন বারবার পানি চায় ও প্রচণ্ড তৃষ্ণার কথা জানায়। এছাড়া মুখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কথাও জানায় সে। বমি ও অস্বস্তি বোধ করতে করতে রাতে সে ঘুমিয়ে পড়ে।

কিন্তু পরদিন সকালে মানভির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। হাসপাতালে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয় এবং তার ওপর ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।