০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উপকূলে সবজি চাষ : বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত হচ্ছেন মাস্টার্স পাশ যুবক তপক মন্ডল

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 44
মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, খুলনা 
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা  দাকোপের লাউডোব ইউনিয়নের লাউডোব গ্রামের তপক মন্ডল ২০১৬ সালে মাস্টার্স শেষ  করেছেন খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের মার্কেটিং বিভাগ থেকে।চাকরি খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে বাবার ৮৪ শতক জমির বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন সবজির খামার। কৃষি অফিস দাকোপ, খুলনার সার্বিক সহযোগিতায় ভার্মি কম্পোষ্ট তৈরির জন্য নির্মাণ করেছেন জৈব সারের প্লান্ট। নিজের চাহিদা পূরণ করার পর অতিরিক্ত সার বিক্রি করছেন। তাতেই বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত হতে চলেছে তার।
বর্তমানে তপক মন্ডলের খামারে ৫০০ বেগুন গাছে বেগুনের দেখা মিলেছে। ২০০ বর্ষাকালীন  টমেটো গাছে ফুল ধরেছে। ২০০ উচ্ছে গাছে ফল দিচ্ছে। ২০০ অফসিজন তরমুজ গাছ আছে। ৫০ টা লাউ গাছে লাউ হচ্ছে। এছাড়াও মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়শ, মরিচ, পুঁইশাক, লালশাক, ডাটা শাক, কুশি, ধন্দুল, ঝিঙাসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করছেন। এ বছর উৎপাদন খরচ বাদে ২ লাখ টাকার অধিক মুনাফা আয় হবে বলে ধারণা করছেন তিনি।
তপক মন্ডল জানান, ভোর হওয়ার সাথে সাথেই খামারে যাই, বাড়ি লাগোয়া হওয়ায় সারাদিনই খামারে কাজ করি।চাকরির পিছনে ছুটে অযথা সময় নষ্ট না করে খামার করেছি। আমার খামার সম্পূর্ণ রাসায়নিক মুক্ত। আমি নিজেই জৈব সার (ভার্মি কম্পোষ্ট) এবং জৈব বালাইনাশক (নিম তেল, মেহগনি ফলের নির্যাশ এবং তামাক জল) উৎপাদন করে নিজের খামারে ব্যাবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করার চেষ্টা করছি।আমার দেখাদেখি যে কেউ চাইলে শুরু করতে পারেন, তাকে সহযোগিতা অবশ্যই করবো।

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

উপকূলে সবজি চাষ : বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত হচ্ছেন মাস্টার্স পাশ যুবক তপক মন্ডল

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, খুলনা 
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা  দাকোপের লাউডোব ইউনিয়নের লাউডোব গ্রামের তপক মন্ডল ২০১৬ সালে মাস্টার্স শেষ  করেছেন খুলনার আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের মার্কেটিং বিভাগ থেকে।চাকরি খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে বাবার ৮৪ শতক জমির বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন সবজির খামার। কৃষি অফিস দাকোপ, খুলনার সার্বিক সহযোগিতায় ভার্মি কম্পোষ্ট তৈরির জন্য নির্মাণ করেছেন জৈব সারের প্লান্ট। নিজের চাহিদা পূরণ করার পর অতিরিক্ত সার বিক্রি করছেন। তাতেই বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত হতে চলেছে তার।
বর্তমানে তপক মন্ডলের খামারে ৫০০ বেগুন গাছে বেগুনের দেখা মিলেছে। ২০০ বর্ষাকালীন  টমেটো গাছে ফুল ধরেছে। ২০০ উচ্ছে গাছে ফল দিচ্ছে। ২০০ অফসিজন তরমুজ গাছ আছে। ৫০ টা লাউ গাছে লাউ হচ্ছে। এছাড়াও মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়শ, মরিচ, পুঁইশাক, লালশাক, ডাটা শাক, কুশি, ধন্দুল, ঝিঙাসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করছেন। এ বছর উৎপাদন খরচ বাদে ২ লাখ টাকার অধিক মুনাফা আয় হবে বলে ধারণা করছেন তিনি।
তপক মন্ডল জানান, ভোর হওয়ার সাথে সাথেই খামারে যাই, বাড়ি লাগোয়া হওয়ায় সারাদিনই খামারে কাজ করি।চাকরির পিছনে ছুটে অযথা সময় নষ্ট না করে খামার করেছি। আমার খামার সম্পূর্ণ রাসায়নিক মুক্ত। আমি নিজেই জৈব সার (ভার্মি কম্পোষ্ট) এবং জৈব বালাইনাশক (নিম তেল, মেহগনি ফলের নির্যাশ এবং তামাক জল) উৎপাদন করে নিজের খামারে ব্যাবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করার চেষ্টা করছি।আমার দেখাদেখি যে কেউ চাইলে শুরু করতে পারেন, তাকে সহযোগিতা অবশ্যই করবো।