০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্র শৃঙ্খলা সভায়, ইবিতে স্থায়ী ৩ জন , ১ বছরের ৩ জন বহিষ্কার 

 

  • র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ২ জন স্থায়ী বহিষ্কার, ৩ জন ১ বছরের জন্য বহিষ্কার।।
  • মেডিকেল ভাংচুরের ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার ১, বাকীদের সর্তক বার্তা।
  •  শিক্ষক লাউন্সে তালা দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর তথ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার ও ৩ শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মেডিকেল ভাংচুরের ঘটনায় ১ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার ও বাকীদের সর্তক করা হয়েছে এবং শিক্ষক লাউন্সে তালা দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা প্রদান, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও উস্কানিমূলক আচরণের ঘটনায় ক্ষমা প্রার্থনা করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ছাত্র-শৃঙ্খলা সভায় এ সিধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থী তাহমিন ওসমানকে র‍্যাগিং ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের হিশাম নাজির শুভ ও মিজানুর রহমান ইমনকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। অন্য তিন অভিযুক্ত শাহরিয়ার পুলক, শেখ সালাউদ্দীন সাকিব ও সাদমান সাকিব আকিবকে এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১০ জুলাই  বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র ভাংচুরের ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রেজওয়ান সিদ্দিক কাব্যকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্য দুই সহযোগী  একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সালমান আজিজ ও আতিক আরমানকে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষক লাউন্সে শ্রেণী কক্ষের দাবিতে তালা দিয়ে আন্দোলন করে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এঘটনায় প্রক্টর অফিস ও এস্টেট অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা প্রদান, উস্কানিমূলক আচরণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের ঘটনায় ক্ষমা প্রার্থনা করায় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত  বিভ্রান্তিকর তথ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্র শৃঙ্খলার সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
মাসুম শাহরিয়ার।

ইবির বঙ্গবন্ধু হলের পকেট গেট বন্ধ করে দিল প্রশাসন 

ছাত্র শৃঙ্খলা সভায়, ইবিতে স্থায়ী ৩ জন , ১ বছরের ৩ জন বহিষ্কার 

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

 

  • র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ২ জন স্থায়ী বহিষ্কার, ৩ জন ১ বছরের জন্য বহিষ্কার।।
  • মেডিকেল ভাংচুরের ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার ১, বাকীদের সর্তক বার্তা।
  •  শিক্ষক লাউন্সে তালা দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর তথ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার ও ৩ শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মেডিকেল ভাংচুরের ঘটনায় ১ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার ও বাকীদের সর্তক করা হয়েছে এবং শিক্ষক লাউন্সে তালা দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা প্রদান, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও উস্কানিমূলক আচরণের ঘটনায় ক্ষমা প্রার্থনা করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ছাত্র-শৃঙ্খলা সভায় এ সিধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থী তাহমিন ওসমানকে র‍্যাগিং ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের হিশাম নাজির শুভ ও মিজানুর রহমান ইমনকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। অন্য তিন অভিযুক্ত শাহরিয়ার পুলক, শেখ সালাউদ্দীন সাকিব ও সাদমান সাকিব আকিবকে এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১০ জুলাই  বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র ভাংচুরের ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রেজওয়ান সিদ্দিক কাব্যকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্য দুই সহযোগী  একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সালমান আজিজ ও আতিক আরমানকে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষক লাউন্সে শ্রেণী কক্ষের দাবিতে তালা দিয়ে আন্দোলন করে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এঘটনায় প্রক্টর অফিস ও এস্টেট অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা প্রদান, উস্কানিমূলক আচরণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের ঘটনায় ক্ষমা প্রার্থনা করায় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত  বিভ্রান্তিকর তথ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্র শৃঙ্খলার সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
মাসুম শাহরিয়ার।