০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে নতুন ছাত্রসংঠনের যাত্রা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সমানে রেখে দয়া দরদ ও মানবিক মর্যাদা ভিত্তিক রাজনৈতিক সমাজ গঠনের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শিক্ষা, শক্তি ও মুক্তি এ তিনটি মুলনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে নতুন ছাত্র সংগঠন।
আজ বুধবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে ডাকসু ভবনের সামনে নতুন এ সংগঠনটির নাম,কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ও ঢাবি শাখার আহ্বায়ক কমিটির ঘোষনা করেন আখতার হোসেন।
প্রাথমিকভাবে গঠিত ২১সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে আখতার হোসেন আহ্বায়ক ও ২০১৬-২০১৭ সেশনের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন সদস্য সচিব হিসেবে আছেন।তাদের এ কমিটি আগামী একবছর দায়িত্ব পালন করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
এদিকে ছাত্র অধিকার পরিষদের সাআেক সভাপতি আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়াকে আহ্বায়ক এবং আবু বাকের মজুমদারকে সদস্য সচিব করে তিন মাস মেয়াদী ঢাবি শাখার কমিটি ঘোষনা করা হয়।
সম্পূর্ণ দলীয় লেজুড়বৃত্তি মুক্ত এ ছাত্রসংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে :
১। শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন: চিন্তা বিনির্মাণ, জাতীয় চৈতন্য নির্মাণ, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সংগঠন কাজ করবে।
২। রাজনৈতিক ব্যক্তি, পরিসর ও সংস্কৃতি নির্মাণ: দেশের রাজনৈতিক পরিসর ও সংস্কৃতি অকার্যকর হয়ে পরেছে যার ফলস্বরূপ দেশে নেমে এসেছে। রাজনৈতিক দুঃশাসন আর ক্ষমতার স্বৈরাচারি ব্যবহার। রাজনৈতিক পরিসর ও সংস্কৃতি নির্মাণের মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতৃত্ব তৈরিতে সংগঠন কাজ করবে।
৩। শিক্ষার্থী কল্যাণ: ছাত্রসংগঠন হিসেবে সর্বদা ছাত্র কল্যাণমুখী চিন্তা এবং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, আর্থিক, সামাজিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ করবে।
৪। ছাত্র নাগরিক রাজনীতি নির্মাণ: নাগরিক সমাজের সাথে ছাত্রসমাজের রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করা। নাগরিক ও ছাত্রসমাজের স্বার্থ ও মুক্তির চিন্তার অভিন্নতা ও পারস্পরিকতাকে সংরক্ষ
৫। রাষ্ট্র-রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন: সভ্যতাগত রাষ্ট্র বিনির্মান, সমন্বয়মুখী জাতীয়তাবাদের প্রসার ও জাতীয় সংহতি রক্ষা করা, রাজনৈতিক জন্য তৈরি করা, কম্যুনিটি কেন্দ্রীক চিন্তা ও পরিকল্পনা গ্রহন করা, জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার গণতন্ত্রায়ণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র-রাজনৈতিক ব্যবস্থার পুনর্গঠনে ছাত্র সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংগঠন কাজ করবে।
এরয়ি প্রেক্ষিতে অতি দ্রুতই দেশের অন্যন্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আখতার হোসেন।
এদিকে গত ২ অক্টোবর আখতার হোসেন ও নাহিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মলন করার ঘোষনা দেয় এ সংগঠনটি। তবে আজকে ডাকসুর সামনে কেনো সংবাদ সম্মেলন করছে সাংবাদিকদেী এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার হোসেন বলেন, মধুর ক্যান্টিন একটি রাজনৈতিক চর্চার জায়গা,পূর্বঘোষিত ঘোষনা অনুযায়ী আজ আমরা সেখানে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে কোন জায়গা খালি পাই নি আমরা,সেখানে শিক্ষার্থীরা মুহুর্মুহু স্লোগান দিচ্ছে,আনরা তো আর তাদেরকে উঠিয়ে দিতে পারবো না।জায়গা পাইনি বিধায় আজ আমরা এখানে সংবাদ সম্মেলন করছি।

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে নতুন ছাত্রসংঠনের যাত্রা শুরু

আপডেট সময় : ০৪:৪০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সমানে রেখে দয়া দরদ ও মানবিক মর্যাদা ভিত্তিক রাজনৈতিক সমাজ গঠনের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শিক্ষা, শক্তি ও মুক্তি এ তিনটি মুলনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে নতুন ছাত্র সংগঠন।
আজ বুধবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে ডাকসু ভবনের সামনে নতুন এ সংগঠনটির নাম,কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ও ঢাবি শাখার আহ্বায়ক কমিটির ঘোষনা করেন আখতার হোসেন।
প্রাথমিকভাবে গঠিত ২১সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে আখতার হোসেন আহ্বায়ক ও ২০১৬-২০১৭ সেশনের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন সদস্য সচিব হিসেবে আছেন।তাদের এ কমিটি আগামী একবছর দায়িত্ব পালন করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
এদিকে ছাত্র অধিকার পরিষদের সাআেক সভাপতি আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়াকে আহ্বায়ক এবং আবু বাকের মজুমদারকে সদস্য সচিব করে তিন মাস মেয়াদী ঢাবি শাখার কমিটি ঘোষনা করা হয়।
সম্পূর্ণ দলীয় লেজুড়বৃত্তি মুক্ত এ ছাত্রসংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে :
১। শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন: চিন্তা বিনির্মাণ, জাতীয় চৈতন্য নির্মাণ, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সংগঠন কাজ করবে।
২। রাজনৈতিক ব্যক্তি, পরিসর ও সংস্কৃতি নির্মাণ: দেশের রাজনৈতিক পরিসর ও সংস্কৃতি অকার্যকর হয়ে পরেছে যার ফলস্বরূপ দেশে নেমে এসেছে। রাজনৈতিক দুঃশাসন আর ক্ষমতার স্বৈরাচারি ব্যবহার। রাজনৈতিক পরিসর ও সংস্কৃতি নির্মাণের মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতৃত্ব তৈরিতে সংগঠন কাজ করবে।
৩। শিক্ষার্থী কল্যাণ: ছাত্রসংগঠন হিসেবে সর্বদা ছাত্র কল্যাণমুখী চিন্তা এবং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, আর্থিক, সামাজিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ করবে।
৪। ছাত্র নাগরিক রাজনীতি নির্মাণ: নাগরিক সমাজের সাথে ছাত্রসমাজের রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করা। নাগরিক ও ছাত্রসমাজের স্বার্থ ও মুক্তির চিন্তার অভিন্নতা ও পারস্পরিকতাকে সংরক্ষ
৫। রাষ্ট্র-রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন: সভ্যতাগত রাষ্ট্র বিনির্মান, সমন্বয়মুখী জাতীয়তাবাদের প্রসার ও জাতীয় সংহতি রক্ষা করা, রাজনৈতিক জন্য তৈরি করা, কম্যুনিটি কেন্দ্রীক চিন্তা ও পরিকল্পনা গ্রহন করা, জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার গণতন্ত্রায়ণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র-রাজনৈতিক ব্যবস্থার পুনর্গঠনে ছাত্র সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংগঠন কাজ করবে।
এরয়ি প্রেক্ষিতে অতি দ্রুতই দেশের অন্যন্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আখতার হোসেন।
এদিকে গত ২ অক্টোবর আখতার হোসেন ও নাহিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মলন করার ঘোষনা দেয় এ সংগঠনটি। তবে আজকে ডাকসুর সামনে কেনো সংবাদ সম্মেলন করছে সাংবাদিকদেী এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার হোসেন বলেন, মধুর ক্যান্টিন একটি রাজনৈতিক চর্চার জায়গা,পূর্বঘোষিত ঘোষনা অনুযায়ী আজ আমরা সেখানে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে কোন জায়গা খালি পাই নি আমরা,সেখানে শিক্ষার্থীরা মুহুর্মুহু স্লোগান দিচ্ছে,আনরা তো আর তাদেরকে উঠিয়ে দিতে পারবো না।জায়গা পাইনি বিধায় আজ আমরা এখানে সংবাদ সম্মেলন করছি।