১৬ জুলাই আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার পর থেকেই উত্তপ্ত থাকা রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বহুগুণ বেড়ে যায়। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ৩ আগস্ট। এদিন শিক্ষার্থীদের সাথে সাধারণ মানুষও দলে দলে রাস্তায় নেমে আসেন। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সরকারের পদত্যাগের ‘এক দফা’ দাবি ও অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা আসার এ আন্দোলন সর্বস্তরের মানুষের গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
বৃষ্টিময় এ দিনটিতে রংপুরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক কর্মী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নেমেছিল। পুলিশের সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় আর আন্দোলনকারীদের উত্তাল ও বাঁধভাঙা গণজোয়ার মূলত ৪ ও ৫ আগস্ট চূড়ান্ত বিজয়ের পথ ত্বরান্বিত করে।
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ৬ জন নিহত হন। এদের মধ্যে দু’জন শিক্ষার্থী, দু’জন ব্যবসায়ী, একজন অটোরিকশাচালক ও একজন স্বর্ণশ্রমিক। দু’বছর পার হলেও এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলাতেও চার্জশিট দাখিল করেনি পুলিশ। গত দুই বছরে শনাক্ত হয়নি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি চালানো অস্ত্রধারীরা। ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোও উদ্ধার হয়নি।
৪ আগস্ট রংপুরে সড়কে পড়ে ছিল অস্ত্রধারীদের মরদেহ