১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশনে পূর্ব বিরোধে রাতের আধারে দু’জনকে কুপিয়ে জখম

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্ব বিরোধের জেরে বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মো. নাসির মুন্সি (৬৫) ও তার ছেলে সালাউদ্দিন (৩৫)কে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে আশ্রাফ আলী সিকদারের বাড়ির দরজায় হামলাকারীরা নাসির মুন্সি ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর আহত নাসির মুন্সি চরফ্যাশন হাসপাতালে জানান, “দক্ষিণ আইচা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলাকারীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথা ও ডান হাতে গুরুতর জখম হয়েছে। ক্ষতস্থানে ১৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। আমার ছেলের কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা রয়েছে। আমরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অপরাধীদের বিচারের দাবি করছি।”

অভিযুক্তরা হলেন মোস্তফা মুন্সীর ছেলে মো. বাবুল (৫০), তার ছেলে সোহাগ (৩০), এবং হান্নানের ছেলে রায়হান, শায়হান ও শাহিনসহ তাদের সহযোগীরা। স্থানীয়দের দাবি, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ বিদ্যমান এবং এর আগেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযুক্ত সোহাগ বলেন, “আমাদেরকে হয়রানি করায় আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। নাসির মুন্সি ও তার ছেলে অস্ত্রের কোপে আহত হয়নি।”

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভুঁইয়া জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআর/সবা

চরফ্যাশনে পূর্ব বিরোধে রাতের আধারে দু’জনকে কুপিয়ে জখম

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্ব বিরোধের জেরে বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মো. নাসির মুন্সি (৬৫) ও তার ছেলে সালাউদ্দিন (৩৫)কে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে আশ্রাফ আলী সিকদারের বাড়ির দরজায় হামলাকারীরা নাসির মুন্সি ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর আহত নাসির মুন্সি চরফ্যাশন হাসপাতালে জানান, “দক্ষিণ আইচা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলাকারীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথা ও ডান হাতে গুরুতর জখম হয়েছে। ক্ষতস্থানে ১৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। আমার ছেলের কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা রয়েছে। আমরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অপরাধীদের বিচারের দাবি করছি।”

অভিযুক্তরা হলেন মোস্তফা মুন্সীর ছেলে মো. বাবুল (৫০), তার ছেলে সোহাগ (৩০), এবং হান্নানের ছেলে রায়হান, শায়হান ও শাহিনসহ তাদের সহযোগীরা। স্থানীয়দের দাবি, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ বিদ্যমান এবং এর আগেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযুক্ত সোহাগ বলেন, “আমাদেরকে হয়রানি করায় আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। নাসির মুন্সি ও তার ছেলে অস্ত্রের কোপে আহত হয়নি।”

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভুঁইয়া জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআর/সবা