কাহারোল উপজেলায় মৌসুমের শুরুতে হিমাগারে রাখা আলুতে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন ও হিমাগারে রাখার খরচ তুলনায় প্রায় অর্ধেক, ফলে প্রতি কেজিতে ১১-১২ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।
উপজেলার দুটি প্রধান হিমাগারে—রাহবার হিমাগারে ১৩,৫০০ মে. টন এবং শাহী হিমাগারে ১০,৫০০ মে. টন আলু রাখা হয়েছে। শাহী হিমাগারে মজুদ ৫,২৫৫ মে. টন, যার মধ্যে বীজ ও খাদ্যের জন্য রয়েছে ১৫৪ মে. টন। রাহবার হিমাগারে বীজ হিসেবে মজুদ ৮,৯৮৮ মে. টন এবং খাদ্যের জন্য ২,৭৭২ মে. টন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে আলুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪,০১০ হেক্টর জমিতে। আলু ব্যবসায়ী মোঃ হবিবর রহমান জানিয়েছেন, ২০০ বস্তা আলু হিমাগারে রাখার খরচ প্রতি কেজিতে ২৫ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১২-১৩ টাকায়, ফলে বিশাল লোকসান। অপর ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে না বিক্রি করলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।
হিমাগার ম্যানেজারের বক্তব্য, “বাজারে দাম কম থাকার কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আলু তুলছেন না। ভাড়া দিতে হলে আরও ক্ষতির মুখে পড়বেন।” ফলে হিমাগারে আলু পড়ে রয়েছে, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি বাড়ছে।
এমআর/সবা










