১২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিবালয়ে বিলে ন্যাপথোল দিয়ে মাছ বিনাশের চেষ্টা

মানিকগঞ্জে শিবালয়ের উপজেলার বোয়ালী কবরস্থান ও মসজিদ কমিটি মিলে উপজেলার বোয়ালীর চক এক লক্ষ বিরানব্বই হাজার টাকা ইজারা দেয় চলতি বছরের আগস্ট মাসে। এই টাকা দিয়ে কবরস্থান মসজিদ ও অসহায় মানুষের কাজে ব্যবহার করা হয়। এই বিলে ১০ টি পুকুর রয়েছে, যার মধ্যে ন্যাপথোল প্রয়োগ করা হয় ৯টি পুকুরের প্রায় ২৭ লাখ টাকার মাছ ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে, মো: নবীন, মো: আকতার হোসেন ও আরাধনের বিরুদ্ধে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাতের কোন এক সময় প্রাকৃতিক মাছের অভয়াশ্রম সরকার কর্তৃক লিজকৃত বোয়ালীর বিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৯টি পুকুরের পানির ওপরে ন্যাপথোল ভেসে রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ৫ জন ডাঙ্গা বা পুকুরে মালিকেরা মিলে উপজেলা মৎস্য অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

পশ্চিম পাড়পাড়া গ্রামের মূত তনু মোল্লার ছেলে মো: সাইদুর রহমান চান মিয়া বলেন আমার ছেলে পুকুরের খাদ্য দিতে গিয়ে দেখে পুকুরে উপরে ন্যাপথোল ভাসতেছে। আমি বাজারের দোকান থেকে এসে দেখি ঘটনা সঠিক ন্যাপথোলকারণে অক্সিজেন শুন্য হয়ে পুকুর থেকে সব মাছ বের হয়ে যায়। তিনি আরো বলেন কারো সাথে শত্রুতা থাকলে তার পুকুরে দিবে সবার তো ক্ষতি করবে না। নবীনের যেহেতু ডাক নিয়ে ভেশাল দিয়েছে আমাদের সন্দেহ তাকে। নবীন আরাধন হালদার লাভবান হওয়ার জন্য এই ক্ষতি করেছে।

ইছাইল গ্রামের সোরহাব হোসেনের ছেলে মো: লালন বলেন রাস্তার উত্তর পাশে মোট দশটা ডাঙ্গা আছে তার ভিতরে আমার দুইটা ডাঙ্গায় প্রায় আমার তিন লক্ষ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। নবীনের ডাঙ্গা আছে একটা তার ডাঙ্গা ন্যাপথল পাওয়া যায় নাই এই দিক থেকে আমরা তাকে সন্দেহ করছি।

বোয়ালীপাড়া গ্রামের মূত সাহেব আলীর ছেলে মো. সিকান বলেন আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মৎস্য অফিস বরাবর অভিযোগ দিয়েছি, যে অপরাধে হোক তাকে আইনের আওতায় এনে আমাদের এই ক্ষতি সাধন করবে।

অভিযুক্ত বোয়ালীপাড়া গ্রামের মূত আফজাল খানের ছেলে মো. নবীনকে ফোন করলে দৈনিক সবুজ বাংলাকে প্রতিনিধিকে বলেন কেবা কারা এটা করেছে আমি জানিনা আমি চক ইজারা নিয়েছি কিন্তু আমি তো চকে যাই না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবালয় মো: বেলাল হোসেন জানান, “একটি অভিযোগ পেয়েছি, মৎস্য অফিসকে দেখার জন্য বলা হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমআর/সবা

শিবালয়ে বিলে ন্যাপথোল দিয়ে মাছ বিনাশের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

মানিকগঞ্জে শিবালয়ের উপজেলার বোয়ালী কবরস্থান ও মসজিদ কমিটি মিলে উপজেলার বোয়ালীর চক এক লক্ষ বিরানব্বই হাজার টাকা ইজারা দেয় চলতি বছরের আগস্ট মাসে। এই টাকা দিয়ে কবরস্থান মসজিদ ও অসহায় মানুষের কাজে ব্যবহার করা হয়। এই বিলে ১০ টি পুকুর রয়েছে, যার মধ্যে ন্যাপথোল প্রয়োগ করা হয় ৯টি পুকুরের প্রায় ২৭ লাখ টাকার মাছ ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে, মো: নবীন, মো: আকতার হোসেন ও আরাধনের বিরুদ্ধে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাতের কোন এক সময় প্রাকৃতিক মাছের অভয়াশ্রম সরকার কর্তৃক লিজকৃত বোয়ালীর বিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৯টি পুকুরের পানির ওপরে ন্যাপথোল ভেসে রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ৫ জন ডাঙ্গা বা পুকুরে মালিকেরা মিলে উপজেলা মৎস্য অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

পশ্চিম পাড়পাড়া গ্রামের মূত তনু মোল্লার ছেলে মো: সাইদুর রহমান চান মিয়া বলেন আমার ছেলে পুকুরের খাদ্য দিতে গিয়ে দেখে পুকুরে উপরে ন্যাপথোল ভাসতেছে। আমি বাজারের দোকান থেকে এসে দেখি ঘটনা সঠিক ন্যাপথোলকারণে অক্সিজেন শুন্য হয়ে পুকুর থেকে সব মাছ বের হয়ে যায়। তিনি আরো বলেন কারো সাথে শত্রুতা থাকলে তার পুকুরে দিবে সবার তো ক্ষতি করবে না। নবীনের যেহেতু ডাক নিয়ে ভেশাল দিয়েছে আমাদের সন্দেহ তাকে। নবীন আরাধন হালদার লাভবান হওয়ার জন্য এই ক্ষতি করেছে।

ইছাইল গ্রামের সোরহাব হোসেনের ছেলে মো: লালন বলেন রাস্তার উত্তর পাশে মোট দশটা ডাঙ্গা আছে তার ভিতরে আমার দুইটা ডাঙ্গায় প্রায় আমার তিন লক্ষ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। নবীনের ডাঙ্গা আছে একটা তার ডাঙ্গা ন্যাপথল পাওয়া যায় নাই এই দিক থেকে আমরা তাকে সন্দেহ করছি।

বোয়ালীপাড়া গ্রামের মূত সাহেব আলীর ছেলে মো. সিকান বলেন আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মৎস্য অফিস বরাবর অভিযোগ দিয়েছি, যে অপরাধে হোক তাকে আইনের আওতায় এনে আমাদের এই ক্ষতি সাধন করবে।

অভিযুক্ত বোয়ালীপাড়া গ্রামের মূত আফজাল খানের ছেলে মো. নবীনকে ফোন করলে দৈনিক সবুজ বাংলাকে প্রতিনিধিকে বলেন কেবা কারা এটা করেছে আমি জানিনা আমি চক ইজারা নিয়েছি কিন্তু আমি তো চকে যাই না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবালয় মো: বেলাল হোসেন জানান, “একটি অভিযোগ পেয়েছি, মৎস্য অফিসকে দেখার জন্য বলা হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমআর/সবা