১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়ায় রোহিঙ্গা পরিবারের হাতে জন্মসনদ, তদন্তে মিললো জালিয়াতি

সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে রোহিঙ্গা পরিবারের চার সদস্যের নামে জন্মসনদ ইস্যুর ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ইউনিয়ন পরিষদের তদন্তে দেখা গেছে, মিথ্যা তথ্য ও জালিয়াতির মাধ্যমে এই সনদগুলো অর্জন করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা হোসেন আহমদ এবং তার পরিবারের লায়লা বেগম, মোহাম্মদ সোলতান আহমদ ও মোহাম্মদ রফিক ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মিথ্যা অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মসনদ গ্রহণ করেছেন। সরেজমিন যাচাইয়ে দেখা গেছে, তারা বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক নন এবং এলাকার বেশ কয়েক বছর ধরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব সনদ সাবেক চেয়ারম্যান মনির আহমদ এবং তৎকালীন সচিব অসিমের স্বাক্ষরে ইস্যু করা হয়েছিল। তবে কীভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই সনদগুলো রোহিঙ্গা পরিবারের হাতে পৌঁছেছে, তা কেউ সঠিকভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই ইউএনও’র নির্দেশে তদন্ত শুরু করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া পর প্রতিবেদন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধনগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে তা কার্যকর হবে। জন্মসনদ ইস্যুর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য এলাকায় রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ থাকা বিষয়ে তথ্য পেলে তা নিয়েও ব্যবস্থা নেবে।

সাতকানিয়ায় রোহিঙ্গা পরিবারের হাতে জন্মসনদ, তদন্তে মিললো জালিয়াতি

আপডেট সময় : ০৭:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে রোহিঙ্গা পরিবারের চার সদস্যের নামে জন্মসনদ ইস্যুর ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ইউনিয়ন পরিষদের তদন্তে দেখা গেছে, মিথ্যা তথ্য ও জালিয়াতির মাধ্যমে এই সনদগুলো অর্জন করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা হোসেন আহমদ এবং তার পরিবারের লায়লা বেগম, মোহাম্মদ সোলতান আহমদ ও মোহাম্মদ রফিক ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মিথ্যা অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মসনদ গ্রহণ করেছেন। সরেজমিন যাচাইয়ে দেখা গেছে, তারা বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক নন এবং এলাকার বেশ কয়েক বছর ধরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব সনদ সাবেক চেয়ারম্যান মনির আহমদ এবং তৎকালীন সচিব অসিমের স্বাক্ষরে ইস্যু করা হয়েছিল। তবে কীভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই সনদগুলো রোহিঙ্গা পরিবারের হাতে পৌঁছেছে, তা কেউ সঠিকভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই ইউএনও’র নির্দেশে তদন্ত শুরু করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া পর প্রতিবেদন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধনগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে তা কার্যকর হবে। জন্মসনদ ইস্যুর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য এলাকায় রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ থাকা বিষয়ে তথ্য পেলে তা নিয়েও ব্যবস্থা নেবে।