০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ভোটের আলোচনায় শশুর জামাইসহ ৪ প্রার্থী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে ৭ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান এমপি শাহজাহান আলম সাজু দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের আলোচনায় ঝড় তুলছেন চারজন। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল) ও তার মেয়ের জামাই মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া (লাঙল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন (কলারছড়ি) এবং বিএনপির দলছুট নেতা ৬ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মাইনুল হাসান তুষার (সোনালি আঁশ)। জোট-মহাজোটের আসন হিসেবে পরিচিত এ আসনে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা মহাজোট থেকে ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে লাঙল প্রতীক নিয়ে টানা দু’বার এমপি হয়েছেন। এবার তিনি রওশন এরশাদ গ্রুপের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। ১০ বছর এমপি থাকাকালীন সময়ে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছেন বলে ভোটারদের কাছে জিয়াউল হক মৃধার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। কিন্তু ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাপার প্রার্থী হন জিয়াউল হক মৃধার মেয়ের জামাই মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও জাপার জিএম কাদের গ্রুপের হয়ে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছেন। সে কারণে জিয়াউল হক মৃধা লাঙল প্রতীক পাননি। তিনি বলেন, এ আসনের জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়ে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। আমার অসমাপ্ত কিছু কাজ রয়েছে। সে কাজগুলো সমাপ্ত করতেই আমি প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের ভালোবাসায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠ গরম করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন। মঈন উদ্দিন ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। উকিল আবদুস সাত্তার ৮৩ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। মঈন উদ্দিন  ৭৫ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। মঈন উদ্দিন এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কলারছড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। মঈন উদিন বলেন, গত ১৮ সালের নির্বাচনে জিততে জিততে হেরে গিয়েছিলাম। আমজনতার আকুতি হলো- আমি যেন সংসদে গিয়ে তাদের মনের আকুতি তুলে ধরি। আমি কলারছড়ির জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এ আসনে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে আরও রয়েছেন বিএনপির দলছুট নেতা ৬ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মাইনুল হাসান (তুষার)। তিনি সোনালী আঁশ (পাট) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন। তুষার বলেন, আমার বাবা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া আপনাদের খুব প্রিয় মানুষ ছিলেন। বাবার আসনকে ঘিরে আমার কিছু স্বপ্ন আছে। স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসানাত মিনার প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। তিনি এ আসনের প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য মুফতি ফজলুল হক আমিনী ছেলে। এছাড়াও বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ছৈয়দ জাফরুল কুদ্দুছ ফুলের মালা ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির রাজ্জাক হোসেন আম প্রতীক নিয়ে  নির্বাচনে লড়ছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ভোটের আলোচনায় শশুর জামাইসহ ৪ প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে ৭ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান এমপি শাহজাহান আলম সাজু দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের আলোচনায় ঝড় তুলছেন চারজন। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল) ও তার মেয়ের জামাই মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া (লাঙল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন (কলারছড়ি) এবং বিএনপির দলছুট নেতা ৬ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মাইনুল হাসান তুষার (সোনালি আঁশ)। জোট-মহাজোটের আসন হিসেবে পরিচিত এ আসনে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা মহাজোট থেকে ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে লাঙল প্রতীক নিয়ে টানা দু’বার এমপি হয়েছেন। এবার তিনি রওশন এরশাদ গ্রুপের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। ১০ বছর এমপি থাকাকালীন সময়ে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছেন বলে ভোটারদের কাছে জিয়াউল হক মৃধার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। কিন্তু ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাপার প্রার্থী হন জিয়াউল হক মৃধার মেয়ের জামাই মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও জাপার জিএম কাদের গ্রুপের হয়ে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছেন। সে কারণে জিয়াউল হক মৃধা লাঙল প্রতীক পাননি। তিনি বলেন, এ আসনের জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়ে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। আমার অসমাপ্ত কিছু কাজ রয়েছে। সে কাজগুলো সমাপ্ত করতেই আমি প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের ভালোবাসায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠ গরম করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন। মঈন উদ্দিন ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। উকিল আবদুস সাত্তার ৮৩ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। মঈন উদ্দিন  ৭৫ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। মঈন উদ্দিন এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কলারছড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। মঈন উদিন বলেন, গত ১৮ সালের নির্বাচনে জিততে জিততে হেরে গিয়েছিলাম। আমজনতার আকুতি হলো- আমি যেন সংসদে গিয়ে তাদের মনের আকুতি তুলে ধরি। আমি কলারছড়ির জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এ আসনে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে আরও রয়েছেন বিএনপির দলছুট নেতা ৬ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মাইনুল হাসান (তুষার)। তিনি সোনালী আঁশ (পাট) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন। তুষার বলেন, আমার বাবা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া আপনাদের খুব প্রিয় মানুষ ছিলেন। বাবার আসনকে ঘিরে আমার কিছু স্বপ্ন আছে। স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসানাত মিনার প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। তিনি এ আসনের প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য মুফতি ফজলুল হক আমিনী ছেলে। এছাড়াও বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ছৈয়দ জাফরুল কুদ্দুছ ফুলের মালা ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির রাজ্জাক হোসেন আম প্রতীক নিয়ে  নির্বাচনে লড়ছেন।