০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাকৃবির কেন্দ্রীয় খামারের খড়ের গাদায় আগুন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) খামার ব্যবস্থাপনা শাখার সামনে থাকা খড়ের গাদায় হঠাৎ আগুন লেগে কিছু অংশ পুড়ে গেছে।
রবিবার (৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে বিকাল ৫ টার দিকে আগুন সমস্ত গাদায়  ছড়িয়ে পড়ে পরতে থাকে। পরে এক ঘন্টার বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে  জানান ফায়ার সার্ভিস লিডার জাকারিয়া।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের ধারণা কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে খড়ে আগুন দিয়েছে। খড়ের নিচের অংশ অনেক সময় ধরে জ্বলার কারণে খড়ের উপরের অংশে যখন আগুন দেখা গেছে তখন খুব দ্রুততার সাথে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিলো।
ফায়ার সার্ভিস লিডার জাকারিয়া বলেন, আমরা বিকাল ৫ টা ১৫ মিনিটের সময়ে খবর পেয়েছি। খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের টিম আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য এসেছি। আগুন নিয়ন্ত্রণে খামারের পাশের পুকুর থেকে পানি ব্যবহার করেছি। এক ঘন্টার বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , পৌনে ৫ টার দিকে এক জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খড়ের সাথে সরিষা থাকার কারণে খুব দ্রুত আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার সময়ে নিরাপত্তাকর্মী ছিলো না। নিরাপত্তাকর্মী থাকলে হয়তো অনেক আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো।
এ বিষয়ে বাকৃবির খামার ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান তত্ত্বাবধারক অধ্যাপক ড. রসিদুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায় নি। ধানের তুষ ও সরিষার তুষ পঁচিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে এই সার বিক্রি করা হয়।  তাড়াতাড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আগুন লাগার কারণ জনতেে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে বলি খেলা অনুষ্ঠিত

বাকৃবির কেন্দ্রীয় খামারের খড়ের গাদায় আগুন

আপডেট সময় : ০৮:১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) খামার ব্যবস্থাপনা শাখার সামনে থাকা খড়ের গাদায় হঠাৎ আগুন লেগে কিছু অংশ পুড়ে গেছে।
রবিবার (৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে বিকাল ৫ টার দিকে আগুন সমস্ত গাদায়  ছড়িয়ে পড়ে পরতে থাকে। পরে এক ঘন্টার বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে  জানান ফায়ার সার্ভিস লিডার জাকারিয়া।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের ধারণা কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে খড়ে আগুন দিয়েছে। খড়ের নিচের অংশ অনেক সময় ধরে জ্বলার কারণে খড়ের উপরের অংশে যখন আগুন দেখা গেছে তখন খুব দ্রুততার সাথে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিলো।
ফায়ার সার্ভিস লিডার জাকারিয়া বলেন, আমরা বিকাল ৫ টা ১৫ মিনিটের সময়ে খবর পেয়েছি। খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের টিম আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য এসেছি। আগুন নিয়ন্ত্রণে খামারের পাশের পুকুর থেকে পানি ব্যবহার করেছি। এক ঘন্টার বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , পৌনে ৫ টার দিকে এক জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খড়ের সাথে সরিষা থাকার কারণে খুব দ্রুত আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার সময়ে নিরাপত্তাকর্মী ছিলো না। নিরাপত্তাকর্মী থাকলে হয়তো অনেক আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো।
এ বিষয়ে বাকৃবির খামার ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান তত্ত্বাবধারক অধ্যাপক ড. রসিদুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায় নি। ধানের তুষ ও সরিষার তুষ পঁচিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে এই সার বিক্রি করা হয়।  তাড়াতাড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আগুন লাগার কারণ জনতেে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।