০৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে বিরোধ ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার তিন

 

টাঙ্গাইলে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান খান ঝলককে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা । সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ মধ্যপাড়া এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ সলিমাবাদ গ্রামের ছামিনুর রহমান খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইলের সরকারি এম এম আলী কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা ৯ জনকে আসামী করে ওইদিন রাতেই বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রানা মিয়া (২২) তার ভাই
জিহাদ (১৯) ও একই গ্রামের জহের উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়া (১৯)।

নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন রতন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএমজসিম উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে জাহিদ তারাবির নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় মাঠের কাছে ফাঁকা একটি জায়গায় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো বলেন ফেসবুকে একটি স্টাটাস দেওয়ার কারনে আসামীদের সাথে জাহিদের বিরোধ হয়। এর সূত্র ধরেই এ হত্যা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তারকৃতরা বলেছেন। তবে আরো কোন বিষয় আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আধিপত্য বিস্তার নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে।

নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান জাহিদ জানান, রাতেই নিহত ঝকলকের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ রাতেই মামলার আসামি জিয়াদ, ইমন ও রানাকে গ্রেপ্তার করে। নিহত জাহিদের লাশ ময়নাতদন্তেরর জন্য মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে বিরোধ ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার তিন

আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

 

টাঙ্গাইলে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান খান ঝলককে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা । সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ মধ্যপাড়া এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ সলিমাবাদ গ্রামের ছামিনুর রহমান খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইলের সরকারি এম এম আলী কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা ৯ জনকে আসামী করে ওইদিন রাতেই বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রানা মিয়া (২২) তার ভাই
জিহাদ (১৯) ও একই গ্রামের জহের উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়া (১৯)।

নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন রতন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএমজসিম উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে জাহিদ তারাবির নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় মাঠের কাছে ফাঁকা একটি জায়গায় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো বলেন ফেসবুকে একটি স্টাটাস দেওয়ার কারনে আসামীদের সাথে জাহিদের বিরোধ হয়। এর সূত্র ধরেই এ হত্যা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তারকৃতরা বলেছেন। তবে আরো কোন বিষয় আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আধিপত্য বিস্তার নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে।

নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান জাহিদ জানান, রাতেই নিহত ঝকলকের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ রাতেই মামলার আসামি জিয়াদ, ইমন ও রানাকে গ্রেপ্তার করে। নিহত জাহিদের লাশ ময়নাতদন্তেরর জন্য মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।