০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেলান্দহ পৌর কাউন্সিল মমিনের লাশ আনতে স্বজনরা কুমিল্লায়

জামালপুর জেলার মেলান্দহ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুমিনুল ইসলামের লাশ বুধবার সকালে রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি পরিচয়ে মুখে স্কচটেপ পেঁচানো হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে মমিনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

নিহত মমিনুল ইসলাম জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের ইয়াদ আলী আকন্দের ছেলে এবং মেলান্দহ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ছিলেন।

এবিষয়ে নিহত কাউন্সিলের ছেলে রাব্বি বলেন, শুক্রবার ব্যাংকের মাধ্যমে বাবা আমার কাছ থেকে ২৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি আমাকে ফোনে বলেন, চকরিয়ার ছিরিঙ্গা বাজার থেকে ঢাকা একটি ট্রাকে করে মেলান্দহের উদ্দেশ্যে হলুদ নিয়ে রওয়ানা দিচ্ছেন। এরপর থেকে বাবার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে ব্যবসায়িক কাজে শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে কক্সবাজারের চকরিয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান।

জানা গেছে, জামালপুরের মেলান্দহ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমিনের মুখে স্কচটেপ পেঁচানো হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। বুধবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গাংরা এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে লাশ শনাক্তের পর মেলান্দহ থানায় খবর দেয়। পুলিশের খবরে মুমিনের বাড়ির লোকজন তার লাশ শনাক্তও করেন। পরক্ষণেই তারা লাশ নেয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশ জানায়, সকালে গাংরা এলাকায় স্থানীয়রা অজ্ঞাত একটি লাশ সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে অজ্ঞাত লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি ত্রিনাথ সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা হয়তো অন্য কোথাও হত্যা করে লাশ মহাসড়কের পাশে ফেলে গেছে।

মেলান্দহ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজু আহাম্মদ বলেন, চৌদ্দগ্রাম থানা থেকে খরব পেয়ে বিষয়টি মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র, স্থানীয় কাউন্সিলর ও তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। তার স্বজনরা লাশ নিতে এরইমধ্যে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এবিষয়ে এখন কোন মামলা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেলান্দহ পৌর কাউন্সিল মমিনের লাশ আনতে স্বজনরা কুমিল্লায়

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪

জামালপুর জেলার মেলান্দহ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুমিনুল ইসলামের লাশ বুধবার সকালে রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি পরিচয়ে মুখে স্কচটেপ পেঁচানো হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে মমিনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

নিহত মমিনুল ইসলাম জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের ইয়াদ আলী আকন্দের ছেলে এবং মেলান্দহ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ছিলেন।

এবিষয়ে নিহত কাউন্সিলের ছেলে রাব্বি বলেন, শুক্রবার ব্যাংকের মাধ্যমে বাবা আমার কাছ থেকে ২৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি আমাকে ফোনে বলেন, চকরিয়ার ছিরিঙ্গা বাজার থেকে ঢাকা একটি ট্রাকে করে মেলান্দহের উদ্দেশ্যে হলুদ নিয়ে রওয়ানা দিচ্ছেন। এরপর থেকে বাবার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে ব্যবসায়িক কাজে শুক্রবার তিনি বাড়ি থেকে কক্সবাজারের চকরিয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান।

জানা গেছে, জামালপুরের মেলান্দহ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমিনের মুখে স্কচটেপ পেঁচানো হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। বুধবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গাংরা এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে লাশ শনাক্তের পর মেলান্দহ থানায় খবর দেয়। পুলিশের খবরে মুমিনের বাড়ির লোকজন তার লাশ শনাক্তও করেন। পরক্ষণেই তারা লাশ নেয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশ জানায়, সকালে গাংরা এলাকায় স্থানীয়রা অজ্ঞাত একটি লাশ সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে অজ্ঞাত লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি ত্রিনাথ সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা হয়তো অন্য কোথাও হত্যা করে লাশ মহাসড়কের পাশে ফেলে গেছে।

মেলান্দহ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজু আহাম্মদ বলেন, চৌদ্দগ্রাম থানা থেকে খরব পেয়ে বিষয়টি মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র, স্থানীয় কাউন্সিলর ও তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। তার স্বজনরা লাশ নিতে এরইমধ্যে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এবিষয়ে এখন কোন মামলা হয়নি।