০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জ ৬ দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ,কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
শুক্রবার (৭জুন) ১১:৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদে বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি, মো:ফরিদ মিয়া,সহ সভাপতি, পুলক কিশোর গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক,তানজিভ হায়দার তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক, ডা: তৌহিদ এলাহী,সদস্য,মো: বকুল মিয়া,প্রস্তাবিত সদস্য,মো: আলী রাজন,সদর উপজেলা শাখার সহ সভাপতি, মো: সামীম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, মো:মীর হোসেন মিরাস সহ প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শাখা, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের উপদেষ্টা ও জেলা শাখার সহ-সভাপতি পুলক কিশোর গুপ্ত সংগ্রহকৃত কিছু তথ্যে বলেন,বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বঙ্গবন্ধু’র ৬ দফা ঘোষণা। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে এবং স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
পরে তিনি ঢাকায় ফিরে ৬ দফার পক্ষে দেশ ব্যাপী প্রচারানায় নামেন এবং পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনতার সামনে ৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন।জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে ৬ দফা হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) জাতীয় মুক্তির সনদ। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে।
এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া,সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হয়েছিলেন।৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে গ্রেপ্তার করে।তাতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) রাজপথ। ৬ দফার সেই আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।

কিশোরগঞ্জ ৬ দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪
ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ,কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
শুক্রবার (৭জুন) ১১:৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদে বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি, মো:ফরিদ মিয়া,সহ সভাপতি, পুলক কিশোর গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক,তানজিভ হায়দার তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক, ডা: তৌহিদ এলাহী,সদস্য,মো: বকুল মিয়া,প্রস্তাবিত সদস্য,মো: আলী রাজন,সদর উপজেলা শাখার সহ সভাপতি, মো: সামীম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, মো:মীর হোসেন মিরাস সহ প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শাখা, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের উপদেষ্টা ও জেলা শাখার সহ-সভাপতি পুলক কিশোর গুপ্ত সংগ্রহকৃত কিছু তথ্যে বলেন,বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বঙ্গবন্ধু’র ৬ দফা ঘোষণা। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে এবং স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
পরে তিনি ঢাকায় ফিরে ৬ দফার পক্ষে দেশ ব্যাপী প্রচারানায় নামেন এবং পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনতার সামনে ৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন।জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে ৬ দফা হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) জাতীয় মুক্তির সনদ। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে।
এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া,সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হয়েছিলেন।৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে গ্রেপ্তার করে।তাতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) রাজপথ। ৬ দফার সেই আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।