ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ,কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
শুক্রবার (৭জুন) ১১:৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদে বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি, মো:ফরিদ মিয়া,সহ সভাপতি, পুলক কিশোর গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক,তানজিভ হায়দার তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক, ডা: তৌহিদ এলাহী,সদস্য,মো: বকুল মিয়া,প্রস্তাবিত সদস্য,মো: আলী রাজন,সদর উপজেলা শাখার সহ সভাপতি, মো: সামীম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, মো:মীর হোসেন মিরাস সহ প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শাখা, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের উপদেষ্টা ও জেলা শাখার সহ-সভাপতি পুলক কিশোর গুপ্ত সংগ্রহকৃত কিছু তথ্যে বলেন,বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বঙ্গবন্ধু’র ৬ দফা ঘোষণা। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে এবং স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
পরে তিনি ঢাকায় ফিরে ৬ দফার পক্ষে দেশ ব্যাপী প্রচারানায় নামেন এবং পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনতার সামনে ৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন।জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে ৬ দফা হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) জাতীয় মুক্তির সনদ। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে।
এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া,সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হয়েছিলেন।৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে গ্রেপ্তার করে।তাতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলার) রাজপথ। ৬ দফার সেই আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।










