সৌদি আরবের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

সবুজ বাংলা ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় খামিস মুসাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। ছবি: সংগৃহীত ছবি:
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় খামিস মুসাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় খামিস মুসাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। খবর আনাদোলুর।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছেন তারা। তিনি দাবি করেন, এই হামলায় বিমানের হ্যাঙ্গার, রাডার, রানওয়ে, গোলাবারুদের ডিপো এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে ঘাঁটিটির ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

হুতিরা জানায়, ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, বিগত পাঁচ দিনে সৌদি এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমানগুলো ইয়েমেনের বেশ কয়েকটি প্রদেশে ৩০০টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে। তবে বিমানঘাঁটিতে হামলা এবং ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত হুতিদের দাবির বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স খামিস মুসাইত গভর্নরেটে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল। তবে পরবর্তীতে জানায়, ‘শঙ্কা কেটে গেছে’। বাসিন্দাদের সিভিল ডিফেন্সের নির্দেশনা মেনে চলার এবং ঘটনাস্থলে জমায়েত হওয়া ও ভিডিও চিত্র ধারণ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

ইয়েমেনে সৌদি সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা পর্যন্ত দেশটির অভ্যন্তরে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে হুতিরা। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যেকোনও নতুন হামলার জবাব ‘আরও ব্যাপক ও কঠোর’ অভিযানের মাধ্যমে দেয়া হবে। 

এদিকে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে বিমান হামলা জোরদার করেছে সৌদি আরব। অন্যদিকে হুতিরাও সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, আবহা, খামিস মুসাইত, জাজান ও নাজরানে হুতিদের হামলায় ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এসব হামলার কারণে দেশটির জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে অগ্নিকাণ্ড ও সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে হুতি গোষ্ঠী। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে থেমে থেমে লড়াই চলছে তাদের।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL