২০২৫ সালে ত্রাণকর্মীদের ওপর হামলায় ৯০৭ জন : জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:

২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক মানবিক সহায়তা কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ৷ সশস্ত্র ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধিকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে এই প্রবণতাকে ‘ভয়াবহ’ বলেছে তারা।

এইড ওয়ার্কার সিকিউরিটি ডেটাবেজ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ৯০৭ জন ত্রাণকর্মী নিহত, আহত বা অপহৃত হয়েছেন৷ ৯০৭ জনের মধ্যে নিহত হয়েছেন ৩৫০ জন৷ আগের বছর মোট ৮৩৩ জন ত্রাণকর্মী নিহত, আহত বা অপহৃত হয়েছিলেন। সেই বছর নিহত হয়েছিলেন ৩৮৭ জন৷ কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার অর্থায়নে পরিচালিত এইড ওয়ার্কার সিকিউরিটি ডেটাবেজ ত্রাণকর্মীদের বিরুদ্ধে ঘটনা বড় ধরনের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনাগুলোর তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে।

এইড ওয়ার্কার সিকিউরিটি ডেটাবেজ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান ছিল গাজা৷ গত বছর ১৮৬ জন মানবিক সহায়তা কর্মী নিহত হন সেখানে। এরপরই রয়েছে সুদান। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা (ইউএনআরডাব্লিউএ) জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সেখানে তাদের অন্তত ৩৯৩ জন কর্মী নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ত্রাণকর্মীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মাত্রাকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে উল্লেখ করে সব দেশের প্রতি যুদ্ধকালীন নিয়মকানুন মেনে চলার এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ব মানবিক দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্ক ও জেনেভায় নিহত ত্রাণকর্মীদের স্মরণে বিশেষ কর্মসূচি পালনের আগে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘‘অন্যের সেবা করাটা আগের চেয়ে অনেক বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।”

জাতিসংঘের ত্রাণ কার্যক্রমের প্রধান টম ফ্লেচার বলেন, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক হারের সস্তা ও সহজে ব্যবহারযোগ্য সশস্ত্র ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি ত্রাণকর্মীদের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়েছে। গত মার্চে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমায় ড্রোন হামলায় এক ফরাসি ত্রাণকর্মীসহ অন্তত তিনজন নিহত হন৷ এছাড়া সুদান ও ইউক্রেনেও ত্রাণবাহী গাড়িবহরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। 

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL