* ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি * সারাদেশে চাহিদা ৪০০ কোটি ঘনফুট, ঢাকায় ৫ কোটি * কোনো পাম্পে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, কোথাও চাপ কম

গ্যাস সংকটে দুর্ভোগে সিএনজিচালিত গাড়ি

এসএম দেলোয়ার হোসেন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:

“রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ৬০২টি সিএিনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সংকট চলছে। তবে শিগগিরই এ সংকট কাটিয়ে দেশের পাম্পগুলো স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসবে”  
— প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আরপিজিসিএল

“এলএনজি সরবরাহে ঘাটতির অন্যতম কারণ একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) নষ্ট হওয়া। তবে মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই জ্বালানি সংকট সামাল দিতে বেশি দামে হলেও স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনছে সরকার”
— অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রতিমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় 

 

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকটে সিএনজি পাম্পগুলোতে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভোর থেকে দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এতে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, কমছে আয়, বাড়ছে গাড়ি পরিচালনার খরচ। কোনো পাম্পে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ আবার কোথাও চাপ কম। এমন বাস্তবতায় চরম দুর্ভোগে পড়ছে সিএনজিচালিত গাড়ি। চালকদের আয় কমলেও প্রতিদিন গাড়ির মালিককে নির্ধারিত জমা দিতে হচ্ছে। আরপিজিসিএল’র কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ৬০২টি সিএিনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ১৩৫টি ফিলিং স্টেশন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সংকট চলছে। তবে শিগগিরই এ সংকট কাটিয়ে দেশের পাম্পগুলো স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসবে। এদিকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলছেন, এলএনজি সরবরাহে ঘাটতির অন্যতম কারণ একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) নষ্ট হওয়া। তবে মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই জ্বালানি সংকট সামাল দিতে বেশি দামে হলেও স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনছে সরকার। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে চালকসহ জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
 
রাজধানীর নীলক্ষেত, শাহবাগ, মৎস ভবন, হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বাড্ডা, রামপুরা, মিরপুর, গাবতলীসহ এর আশপাশের এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাম্পে কোথাও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, আবার কোথাও কম চাপ রয়েছে। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোতে সিএনজিচালিত যানবাহন নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এতে ব্যক্তিগত ও যাত্রী পরিবহনেও মারাত্নক ব্যাঘাত ঘটছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশে গ্যাসচালিত যানবাহনে (সিএনজি খাতে) সুনির্দিষ্ট বা আলাদা করে দৈনিক গ্যাসের চাহিদার কোনো পৃথক সরকারি পরিসংখ্যান সাধারণত প্রকাশিত হয় না। তবে সামগ্রিকভাবে দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট (৩৮০ থেকে ৪০০ কোটি ঘনফুট)। সারাদেশে সব খাত মিলিয়ে দৈনিক চাহিদা প্রায় প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। তবে অপর্যাপ্ত সরবরাহ ও কম চাপের কারণে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিয়মিত চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ করতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে সামগ্রিক ঘাটতি থাকায় সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন খাতে রেশনিং বা সীমিত সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিতাস গ্যাস ও পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকাসহ আওতাধীন অঞ্চলে সিএনজি খাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫ কোটি ঘনফুট। তিতাস গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এলাকায় সিএনজি খাতে দৈনিক চাহিদা ৫ কোটি ঘনফুট হলেও, বর্তমান সরবরাহ সংকটের কারণে এই খাতের বরাদ্দ ও সরবরাহ আরও হ্রাস পেয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদ ও পরিবহন খাতের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে সিএনজি ও পাম্পের সংখ্যা প্রায় ৮০টি। রূপসা প্যাট্রোলিয়াম বা পেট্রাবাংলা/আরপিজিসিএল-এর অধীনে সারা দেশে শত শত সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্শন কারখানা পরিচালিত হলেও এর সুনির্দিষ্ট মোট সংখ্যা মাঝেমধ্যেই পরিবর্তন হয়ে থাকে।
রাজধানীর হাজারীবাগের বেড়িবাঁধে মাহতাব পেট্রোল পাম্প ও আরও দু’টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী পরিবহনকারী বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও লেগুনার পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসের দীর্ঘ সারি। চালকরা গ্যাস সংগ্রহের আশায় ঘন্টার পর ঘন্টা রোদ-বৃষ্টিতের ভিজে-পুঁড়ে অলস সময় কাটাচ্ছেন। এদের কেউ কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা নিজেদের গাড়িতে বসে মোবাইল ফোনে লুডু খেলে অলস সময় কাটাচ্ছেন। এই স্টেশনে গ্যাস নিতে আসা লেগুনা চালক মামুন বলেন, গত শনিবার মধ্যরাত থেকে গাড়ির লাইনে বসে থেকে গতকাল রোববার দুপুরে সিরিয়াল পেয়েছি। তবে গ্যাসের চাপ খুবই অল্প। এভাবে ভোগান্তি পোহালে মালিকের দৈনিক ভাড়া জমা দেওয়া তো দূরের কথা, নিজের হাত খরচের টাকাও জুটবে না। কিভাবে সংসার চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করবো, সেই চিন্তায় দিনের পর দিন ঘুম হারাম হয়ে যায়। এতে প্রতিনিয়তই চরম দুর্ভোগ নিয়ে সময় পার করতে হচ্ছে।
মেরুল বাড্ডার জামান ফিলিং স্টেশনে দিনের বেলায় গ্যাস সরবরাহ করতে দেখা যায়নি। তবে হাজীপাড়ায় গ্যাস সরবরাহ থাকলেও সিএনজি ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন ছিল। রাস্তার একাংশজুড়ে প্রাইভেট কার ও সিএনজির দুটি করে সারি থাকায় আশপাশের এলাকায় যানজটও তৈরি হয়েছে। গাবতলী, কল্যাণপুর, কালশী, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কম চাপের কারণে এসব যানবাহনকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গাবতলীর মোহনা ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ প্রাইভেটকার চালক খলিল বলেন, গ্যাস সংকট আরও বেড়েছে। গভীর রাতে সামান্য পাওয়া গেলেও দিনে পাওয়া যাচ্ছে না। দেড় ঘণ্টার মতো লাইনে দাঁড়িয়ে যে গ্যাস পেয়েছি, তা দিয়ে মাত্র দুটি ট্রিপ দিতে পেরেছি। এখন আবার লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের দুঃখ দেখার কেউ নেই। ডেমরা এলাকাতেও পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। গ্যাসের জন্য চার ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরিবহন চালকদের। দীর্ঘ সময় পাম্পে থাকায় যাত্রী পরিবহন করতে না পেরে আয়-রোজগার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে। গ্যাস বিক্রি কমে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন ফিলিং স্টেশন মালিকরাও। রাসেল ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনে রেন্ট-এ-কার চালক মো. বশির হাওলাদার বলেন, ঠিকমতো গ্যাস না পাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। দূরপাল্লার যাত্রী নিতে পারছি না। যাত্রী গাড়িতে রেখে এখন আর গ্যাস নেওয়া যায় না। কারণ তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা লাইনে থাকতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পরিবারের সবাইকে না খেয়ে মরতে হবে। মুগদা, মানিকনগর, সবুজবাগ, খিলগাঁও, বনশ্রী ও হাজীপাড়া এলাকায় গ্যাসের চাপ ছিল কম। অনেক ফিলিং স্টেশনে ‘গ্যাস নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে। শান্ত ফিলিং স্টেশনে লাইনে থাকা চালক কবির হোসেন বলেন, সকাল ৯টায় লাইনে দাঁড়িয়েছি, এখন দুপুর ২টা। কিন্তু এখনও সিরিয়াল পাইনি। দিন যত যাচ্ছে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গ্যাস না পেলেও মালিককে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ টাকা জমা দিতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে কী করব বুঝতে পারছি না। উত্তরায়ও গ্যাস সংকট ছিল তীব্র। গ্যাসের অভাবে অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ ছিল। চালু থাকা স্টেশনগুলোতে চাপ কম থাকায় তৈরি হয়েছে দীর্ঘ সারি। সিএনজিচালক জসিম বলেন, রাত থেকে লাইনে আছি, এখনও গ্যাস পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালাব কীভাবে? সামনে বাচ্চাদের স্কুলের বেতন দেব কীভাবে? এত মানসিক চাপ আর নিতে পারছি না। 

খন্দকার ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কামাল আহমেদ বলেন, পরিবহনের বড় একটি অংশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। ফলে গ্যাসের চাপ কম থাকায় পরিবহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমাদের কিছুই করার নেই।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ৬০২টি সিএিনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ১৩৫টি ফিলিং স্টেশন। শুধু ঢাকা মহানগর এলাকায়ই ৮০টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সংকট চলছে। এলএনজি আমদানি হলে শিগগিরই এ সংকট কাটিয়ে দেশের পাম্পগুলো স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসবে।

সম্প্রতি সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, এলএনজি সরবরাহে ঘাটতির অন্যতম কারণ সাম্প্রতিক সময়ে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) নষ্ট হহয়ে যায়। গত ২১ জুলাই টার্মিনালটি নষ্ট হওয়ার পর ১৫ আগস্ট মেরামত করা হয়। তবে এরপরও সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এ কারণে এলএনজি কার্গোর সময়সূচিও নতুন করে সমন্বয় করতে হয়েছে। দুটি এফএসআরইউ থেকে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা গেলে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে, যার প্রভাব বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতেও পড়বে। তবে মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই জ্বালানি সংকট সামাল দিতে বেশি দামে হলেও স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনছে সরকার। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাধ্য হচ্ছি। উপায় নেই। দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি চুক্তির কয়েকটি সরবরাহকারী ফোর্স মেজর ঘোষণা করায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। 
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এলএনজি সরবরাহ পরিস্থিতি এরই মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১২ শতাংশ ঘাটতিও দ্রুত পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিস্থিতি নিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। রামপালের একটি ইউনিটও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করছে না। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল থাকায় জাহাজ থেকে কয়লা লাইটারেজ করে মোংলায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে দুই কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ার বিষয়েও প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যার পর ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে তাদের কাছ থেকে গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সরবরাহ পাওয়া যেত। অতিবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উৎপাদন কমেছে বলে আদানি জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
বাড়তি দামে এলএনজি কেনার কারণ ব্যাখ্যা করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, স্পট মার্কেটে দাম বেশি হলেও মানুষের কষ্ট ও শিল্পকারখানার ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। সংকট যাতে দীর্ঘায়িত না হয়, সে জন্যই সরকার বেশি দামে এলএনজি সংগ্রহ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
 

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL