০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে বেড়েছে মশার উপদ্রব

➤এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে সাড়ে তিন গুণের বেশি
➤রাস্তাঘাট, পার্ক, অফিস, যানবাহন সর্বত্রই মশা আতঙ্ক
➤ দুই সিটির তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন

২০২৩ সালের পুরোটাজুড়েই দেশবাসীকে ভুগিয়েছে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়, আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। এর আগে ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু দেখেনি দেশবাসী। চলতি বছরেও মৌসুমের আগেই রাজধানীজুড়ে বাড়ছে মশার উপদ্রব। বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। পার্ক, অফিস, বাসাবড়ি, সড়ক সবজায়াগতেই মশা। ফলে এবছরও ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনে নানান তৎপরতার কথা বলা হলেও, আসছে না ফলাফল। ফলে মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের কর্মতৎপরতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

 

 

সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা প্রাক-বর্ষা এডিস সার্ভে ২০২৪-এর ফলাফল প্রকাশ করে। জরিপে বলা হয়েছে, ঢাকায় চলতি বছরের প্রাক-বর্ষা মৌসুমে ১৪.৬৮ শতাংশ বাসাবাড়িতে এডিস মশার শূককীট বা লার্ভা পাওয়া গেছে। গত বছর একই সময় এই হার ছিল ৪.০৩ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি বছর রাজধানীর বাসাবাড়িতে এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে সাড়ে তিন গুণের বেশি। জরিপসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাসাবাড়িতে লার্ভার উপস্থিতি যে পর্যায়ে পাওয়া গেছে, এতে এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

 

 

জরিপ থেকে আরও জানা যায়, রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া ৪১টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি, যা ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। আর দুই সিটির মধ্যে দক্ষিণ সিটিতে (ডিএসসিসি) মশার ঘনত্ব বেশি। বহুতল ভবনে সবচেয়ে বেশি এডিস মশার লার্ভা রয়েছে।

 

জরিপে বলা হয়েছে, জরিপকৃত তিন হাজার ১৫২টি বাড়ির মধ্যে ৪৬৩টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (কীটপতঙ্গের একটি জীবনপর্যায়) পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বহুতল ভবনে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ স্বতন্ত্র বাড়িতে, ২১ দশমিক ৬ শতাংশ নির্মাণাধীন ভবনে, ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ সেমিপাকা বাড়িতে ও এক দশমিক ৭৩ শতাংশ খালি জায়গায় মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। সাধারণত এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স’র মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ১০ শতাংশের বেশি হওয়া মানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
জরিপে দেখা যায়, দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, এসব এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টির বেশি পাত্রে মশা বা লার্ভা পাওয়া গেছে। এই এলাকাগুলো ডেঙ্গুর বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডগুলো হলো- ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭, ৩৩ নং ওয়ার্ড। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো- ৪, ১৩, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭, ২৩ নং ওয়ার্ড।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ১২ নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে এডিসের ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ১৩ এবং ২০ নং ওয়ার্ড, এগুলোতে ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৪০ শতাংশ। ৩৬ নং ওয়ার্ডে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৩১ ও ৩২ নং ওয়ার্ডে ৩০ শতাংশ, ১৭ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডে ২৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে।

 

এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডে ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ঢাকার সবচেয়ে বেশি ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৪ নং ওয়ার্ডে ৪৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ৫২ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ১৬ নং ওয়ার্ডে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৩ নং, ৫ নং, ১৫ নং, ১৭ নং এবং ২৩ নং ওয়ার্ডে ৩০ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে।

 

মশা নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন শত কোটি টাকার কার্যক্রমে ফল মিলেছে কমই। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ৮৪ কোটি ৫০ টাকা বাজেট পায়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মশা নিধন বাবদ অর্থ বরাদ্দ পায় ৪২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কার্যক্রমের আওতায় নতুন কীটনাশক প্রয়োগ করতে চায় উত্তর সিটি। আর দক্ষিণ সিটি মেয়র বলছেন, মশা নিধনে তাদের বেশকিছু কার্যক্রম চলমান।

 

কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, এডিস মশার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় কেন সুফল আসছে না, সেটি আগে জানা দরকার। মশার ঘনত্ব যা দেখছি, গত বছরের তুলনায় তা অনেক বেশি। এতে ডেঙ্গু রোগীও বেশি পাচ্ছি। বোঝা যাচ্ছে, এ বছর ডেঙ্গু বেশি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ জন্য এখনই এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম বেশ জোরালোভাবে নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ মাসেও উদ্ধার হয়নি পুলিশের সেই ‘হ্যান্ডকাফ’

রাজধানীতে বেড়েছে মশার উপদ্রব

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

➤এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে সাড়ে তিন গুণের বেশি
➤রাস্তাঘাট, পার্ক, অফিস, যানবাহন সর্বত্রই মশা আতঙ্ক
➤ দুই সিটির তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন

২০২৩ সালের পুরোটাজুড়েই দেশবাসীকে ভুগিয়েছে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়, আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। এর আগে ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু দেখেনি দেশবাসী। চলতি বছরেও মৌসুমের আগেই রাজধানীজুড়ে বাড়ছে মশার উপদ্রব। বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। পার্ক, অফিস, বাসাবড়ি, সড়ক সবজায়াগতেই মশা। ফলে এবছরও ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনে নানান তৎপরতার কথা বলা হলেও, আসছে না ফলাফল। ফলে মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের কর্মতৎপরতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

 

 

সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা প্রাক-বর্ষা এডিস সার্ভে ২০২৪-এর ফলাফল প্রকাশ করে। জরিপে বলা হয়েছে, ঢাকায় চলতি বছরের প্রাক-বর্ষা মৌসুমে ১৪.৬৮ শতাংশ বাসাবাড়িতে এডিস মশার শূককীট বা লার্ভা পাওয়া গেছে। গত বছর একই সময় এই হার ছিল ৪.০৩ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি বছর রাজধানীর বাসাবাড়িতে এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে সাড়ে তিন গুণের বেশি। জরিপসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাসাবাড়িতে লার্ভার উপস্থিতি যে পর্যায়ে পাওয়া গেছে, এতে এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

 

 

জরিপ থেকে আরও জানা যায়, রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া ৪১টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি, যা ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। আর দুই সিটির মধ্যে দক্ষিণ সিটিতে (ডিএসসিসি) মশার ঘনত্ব বেশি। বহুতল ভবনে সবচেয়ে বেশি এডিস মশার লার্ভা রয়েছে।

 

জরিপে বলা হয়েছে, জরিপকৃত তিন হাজার ১৫২টি বাড়ির মধ্যে ৪৬৩টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (কীটপতঙ্গের একটি জীবনপর্যায়) পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বহুতল ভবনে, ২১ দশমিক ছয় শতাংশ স্বতন্ত্র বাড়িতে, ২১ দশমিক ৬ শতাংশ নির্মাণাধীন ভবনে, ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ সেমিপাকা বাড়িতে ও এক দশমিক ৭৩ শতাংশ খালি জায়গায় মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। সাধারণত এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স’র মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ১০ শতাংশের বেশি হওয়া মানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
জরিপে দেখা যায়, দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, এসব এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টির বেশি পাত্রে মশা বা লার্ভা পাওয়া গেছে। এই এলাকাগুলো ডেঙ্গুর বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডগুলো হলো- ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭, ৩৩ নং ওয়ার্ড। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো- ৪, ১৩, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭, ২৩ নং ওয়ার্ড।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ১২ নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে এডিসের ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ১৩ এবং ২০ নং ওয়ার্ড, এগুলোতে ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৪০ শতাংশ। ৩৬ নং ওয়ার্ডে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৩১ ও ৩২ নং ওয়ার্ডে ৩০ শতাংশ, ১৭ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডে ২৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে।

 

এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডে ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ঢাকার সবচেয়ে বেশি ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৪ নং ওয়ার্ডে ৪৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ৫২ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ১৬ নং ওয়ার্ডে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৩ নং, ৫ নং, ১৫ নং, ১৭ নং এবং ২৩ নং ওয়ার্ডে ৩০ শতাংশ ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে।

 

মশা নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন শত কোটি টাকার কার্যক্রমে ফল মিলেছে কমই। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ৮৪ কোটি ৫০ টাকা বাজেট পায়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মশা নিধন বাবদ অর্থ বরাদ্দ পায় ৪২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কার্যক্রমের আওতায় নতুন কীটনাশক প্রয়োগ করতে চায় উত্তর সিটি। আর দক্ষিণ সিটি মেয়র বলছেন, মশা নিধনে তাদের বেশকিছু কার্যক্রম চলমান।

 

কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, এডিস মশার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় কেন সুফল আসছে না, সেটি আগে জানা দরকার। মশার ঘনত্ব যা দেখছি, গত বছরের তুলনায় তা অনেক বেশি। এতে ডেঙ্গু রোগীও বেশি পাচ্ছি। বোঝা যাচ্ছে, এ বছর ডেঙ্গু বেশি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ জন্য এখনই এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম বেশ জোরালোভাবে নিতে হবে।