০৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ বাছাইপর্ব

আবাহনী-মুরাস প্রথমার্ধে কেউ গোল পায়নি

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে ‘পশ্চিম জোন’-এর প্রথম ম্যাচে আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড ঢাকা এবং কিরগিজস্তানের ফুটবল ক্লাব মুরাস ইউনাইটেড। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে একটু আগে। এখনও পর্যন্ত কোনো দলই গোল করতে পারেনি (০-০)।
শ্রাবণের আকাশে মেঘ। তারপরও অসহ্য ভ্যাপসা গরম। এজন্যই হয়তো গ্যালারিতে তেমন দর্শক সমাগম নেই। প্রেসবক্সে বসা এক ক্রীড়া সাংবাদিক মজা করে বলছিলেন, ‘গ্যালারির দর্শকের চেয়ে প্রেসবক্সের সাংবাদিকদের সংখ্যাই তো বেশি মনে হচ্ছে!’

প্রথমার্ধের শুরুতে আক্রমণ, বিপজ্জনক আক্রমণ এবং বল পজেশন … সবকিছুতেই এগিয়েছিল মুরাস। তবে আবাহনী শুরুতে বেছ পিছিয়ে থাকলেও পরে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তারাও খেলার ধার বাড়িয়েছে। চেষ্টা করেছে সমানতালে খেলার। প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান ছিল অনেকটা এরকম। আক্রমণে দু’দল সমতা (৩২-৩২)। বিপজ্জনক আক্রমণে অবশ্য মুরাস এগিয়ে (৩৯-২০)। তবে বল পজেশনে আবার আবাহনী এগিয়ে (৫১%-৪৯%)।

শুরুতে আবাহনী রক্ষণাত্নক ফর্মেশনে খেলে। ফরোয়ার্ড পজিশনে মাত্র একজনকে ওপরে খেলায়। মুরাস বেশিরভাগ সময় দুই উইং দিয়ে আক্রমণ শাণায়। মাঝমাঠে ও রক্ষণে আবাহনী বেশি জোর দিয়েছে। সেক্ষেত্রে সফলতাও পেয়েছে তারা। গোলরক্ষক মিতুল মারমা বেশ ক’টি আক্রমণ রুখে দিয়েছেন।
ম্যাচের ৬ মিনিটে মুরাস গোল করার সুযোগ হারায়। বা প্রান্ত থেকে আল ইগয়ুল গড়ানো ক্রস করেন। ফরোয়ার্ড ওলেহ সেই চলতি বলে বা পায়ের সংযোগ ঘটান। কিন্তু তার গড়ানো সেই শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

১০ মিনিটে বক্সের ভেতরে ঢুকে মুরাসে কদজো জোরালো উঁচু শট নেন। আবাহনী গোলরক্ষক মিতুল ফিস্ট করে রক্ষা করেন দলকে।

১২ মিনিটে মুরাসের আল ইগয়ুল বা প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন। গোলরক্ষক মিতুল তা ধরলেও ফস্কে যায়। সেই বল আবাহনীর ইংাসিন খান কর্নারে রক্ষা করেন।

১৮ মিনিটে আবাহনীর আক্রমণ। মোহামেডান থেকে সদ্যই আসা মালি ফরোয়ার্ড সুলেমান দিয়াবাতে বল নিয়ে একহক প্রচেষ্টায় মুরাসের বক্সে ঢুকে পড়েন। তাকে পেছনে থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন মুরাসের এক ডিফেন্ডার। দিয়াবাতে ডান পায়ের এক উঁচু-জোরালো শট নেন। কিন্তু বলটি পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।

২২ মিনিটে মুরাসের ৯ বা প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে বা পায়ের যে শট নেন, তা আবাহনী গোলরক্ষক কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।

২৩ মিনিটে সতীর্থের লম্বা থ্রু পাস ধরে আল-আমিন বক্সের ভেতরে ঢুকে শট নেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নার হয়ে যায়।

৩২ মিনিটে সতীর্থের কাছ থেকে পাস পেয়ে দিয়াবাতে বক্সে ঢুকে ঠিকমতো শট নিতে পারেননি। তারপরও সেই বল পেয়ে যান ইব্রাহিম। তিন বা পায়ের যে শট নেন, তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশায় পোড়ে আবাহনী।

ম্যাচটি নক আউটের। খেলা ড্র হলে তা অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। তাতেও নিষ্পত্তি না হলে টাইব্রেকার হবে।

আরকে/সবা

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ বাছাইপর্ব

আবাহনী-মুরাস প্রথমার্ধে কেউ গোল পায়নি

আপডেট সময় : ০৬:১২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে ‘পশ্চিম জোন’-এর প্রথম ম্যাচে আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড ঢাকা এবং কিরগিজস্তানের ফুটবল ক্লাব মুরাস ইউনাইটেড। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে একটু আগে। এখনও পর্যন্ত কোনো দলই গোল করতে পারেনি (০-০)।
শ্রাবণের আকাশে মেঘ। তারপরও অসহ্য ভ্যাপসা গরম। এজন্যই হয়তো গ্যালারিতে তেমন দর্শক সমাগম নেই। প্রেসবক্সে বসা এক ক্রীড়া সাংবাদিক মজা করে বলছিলেন, ‘গ্যালারির দর্শকের চেয়ে প্রেসবক্সের সাংবাদিকদের সংখ্যাই তো বেশি মনে হচ্ছে!’

প্রথমার্ধের শুরুতে আক্রমণ, বিপজ্জনক আক্রমণ এবং বল পজেশন … সবকিছুতেই এগিয়েছিল মুরাস। তবে আবাহনী শুরুতে বেছ পিছিয়ে থাকলেও পরে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তারাও খেলার ধার বাড়িয়েছে। চেষ্টা করেছে সমানতালে খেলার। প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান ছিল অনেকটা এরকম। আক্রমণে দু’দল সমতা (৩২-৩২)। বিপজ্জনক আক্রমণে অবশ্য মুরাস এগিয়ে (৩৯-২০)। তবে বল পজেশনে আবার আবাহনী এগিয়ে (৫১%-৪৯%)।

শুরুতে আবাহনী রক্ষণাত্নক ফর্মেশনে খেলে। ফরোয়ার্ড পজিশনে মাত্র একজনকে ওপরে খেলায়। মুরাস বেশিরভাগ সময় দুই উইং দিয়ে আক্রমণ শাণায়। মাঝমাঠে ও রক্ষণে আবাহনী বেশি জোর দিয়েছে। সেক্ষেত্রে সফলতাও পেয়েছে তারা। গোলরক্ষক মিতুল মারমা বেশ ক’টি আক্রমণ রুখে দিয়েছেন।
ম্যাচের ৬ মিনিটে মুরাস গোল করার সুযোগ হারায়। বা প্রান্ত থেকে আল ইগয়ুল গড়ানো ক্রস করেন। ফরোয়ার্ড ওলেহ সেই চলতি বলে বা পায়ের সংযোগ ঘটান। কিন্তু তার গড়ানো সেই শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

১০ মিনিটে বক্সের ভেতরে ঢুকে মুরাসে কদজো জোরালো উঁচু শট নেন। আবাহনী গোলরক্ষক মিতুল ফিস্ট করে রক্ষা করেন দলকে।

১২ মিনিটে মুরাসের আল ইগয়ুল বা প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন। গোলরক্ষক মিতুল তা ধরলেও ফস্কে যায়। সেই বল আবাহনীর ইংাসিন খান কর্নারে রক্ষা করেন।

১৮ মিনিটে আবাহনীর আক্রমণ। মোহামেডান থেকে সদ্যই আসা মালি ফরোয়ার্ড সুলেমান দিয়াবাতে বল নিয়ে একহক প্রচেষ্টায় মুরাসের বক্সে ঢুকে পড়েন। তাকে পেছনে থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন মুরাসের এক ডিফেন্ডার। দিয়াবাতে ডান পায়ের এক উঁচু-জোরালো শট নেন। কিন্তু বলটি পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।

২২ মিনিটে মুরাসের ৯ বা প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে বা পায়ের যে শট নেন, তা আবাহনী গোলরক্ষক কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।

২৩ মিনিটে সতীর্থের লম্বা থ্রু পাস ধরে আল-আমিন বক্সের ভেতরে ঢুকে শট নেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নার হয়ে যায়।

৩২ মিনিটে সতীর্থের কাছ থেকে পাস পেয়ে দিয়াবাতে বক্সে ঢুকে ঠিকমতো শট নিতে পারেননি। তারপরও সেই বল পেয়ে যান ইব্রাহিম। তিন বা পায়ের যে শট নেন, তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশায় পোড়ে আবাহনী।

ম্যাচটি নক আউটের। খেলা ড্র হলে তা অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। তাতেও নিষ্পত্তি না হলে টাইব্রেকার হবে।

আরকে/সবা