০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খেজুর রস দিয়ে স্বপ্ন ও আয় গড়ছেন মদনমোহন

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০নম্বর ওয়ার্ডের জগদীশপুর গ্রাম এখন পরিচিতি পেয়েছে ‘রসের গ্রাম’ নামে। গ্রামের এই খ্যাতি মূলত মদনমোহন বর্মণের খেজুর বাগানের কারণেই। ছোটবেলায় খেজুর গাছের সৌন্দর্য দেখে মদনমোহন ঠিক করেছিলেন, একদিন নিজের জমিতে খেজুরের বাগান করবেন।

তিনি নিজের জমিতে শতাধিক খেজুর গাছ রোপণ করেন। বাগানটি শোভা বৃদ্ধি করছে, পাশাপাশি তাঁর অর্থনৈতিক উৎসও হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে রস আহরণ শুরু করেন মদনমোহন। বর্তমানে শীত মৌসুমে প্রতিদিন গাছপ্রতি ছয় থেকে সাত লিটার রস পাওয়া যায়। প্রতি লিটার রসের দাম ১২০ টাকা। এছাড়া অতিরিক্ত রস দিয়ে গুড় তৈরি করেন, যা প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। গত শীত মৌসুমে তিনি খেজুরের রস-গুড় বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করেছেন।

মদনমোহনের বাগান থেকে অন্তত ১০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। তিনি সবাইকে খেজুর গাছ রোপণের পরামর্শ দেন। স্থানীয়রা তাকে স্নেহভরে ‘রসমোহন কাকু’ বলে সম্বোধন করেন এবং বাগানের সৌন্দর্য ও টাটকা রস উপভোগ করেন।

মদনমোহনের উদ্যোগে জগদীশপুর গ্রাম আজ ‘রসের গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারো কমলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার

খেজুর রস দিয়ে স্বপ্ন ও আয় গড়ছেন মদনমোহন

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০নম্বর ওয়ার্ডের জগদীশপুর গ্রাম এখন পরিচিতি পেয়েছে ‘রসের গ্রাম’ নামে। গ্রামের এই খ্যাতি মূলত মদনমোহন বর্মণের খেজুর বাগানের কারণেই। ছোটবেলায় খেজুর গাছের সৌন্দর্য দেখে মদনমোহন ঠিক করেছিলেন, একদিন নিজের জমিতে খেজুরের বাগান করবেন।

তিনি নিজের জমিতে শতাধিক খেজুর গাছ রোপণ করেন। বাগানটি শোভা বৃদ্ধি করছে, পাশাপাশি তাঁর অর্থনৈতিক উৎসও হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে রস আহরণ শুরু করেন মদনমোহন। বর্তমানে শীত মৌসুমে প্রতিদিন গাছপ্রতি ছয় থেকে সাত লিটার রস পাওয়া যায়। প্রতি লিটার রসের দাম ১২০ টাকা। এছাড়া অতিরিক্ত রস দিয়ে গুড় তৈরি করেন, যা প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। গত শীত মৌসুমে তিনি খেজুরের রস-গুড় বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করেছেন।

মদনমোহনের বাগান থেকে অন্তত ১০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। তিনি সবাইকে খেজুর গাছ রোপণের পরামর্শ দেন। স্থানীয়রা তাকে স্নেহভরে ‘রসমোহন কাকু’ বলে সম্বোধন করেন এবং বাগানের সৌন্দর্য ও টাটকা রস উপভোগ করেন।

মদনমোহনের উদ্যোগে জগদীশপুর গ্রাম আজ ‘রসের গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শু/সবা