০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রমাণ দেবে তুরস্ক

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশির ভাগই ভিজ্যুয়াল নথি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ইসরায়েল দোষী সাব্যস্ত হবে। আমরা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করি। ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলে গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আবেদন জমা দেওয়ার দিন আইসিজেকে দ্রুত এ বিষয়ে শুনানির অনুরোধ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে ১১ জানুয়ারি শুনানি শুরুর দিন ধার্য করেন বিশ্ব আদালত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় ২৩ হাজার বেসামরিক মানুষ হত্যার মাধ্যমে গণহত্যার অভিযোগ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে ১০ হাজারের বেশি শিশু। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এরদোয়ানকে জবাব দিয়ে বলেছেন, অতীতে আর্মেনিয়ায় গণহত্যা চালানো দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এখন ভিত্তিহীন দাবি নিয়ে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন। ইসরায়েল আপনার বর্বর মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য দাঁড়িয়েছে, ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নয়। উল্লেখ্য, ১৯১৫ সালে অটোমান তুর্কি বাহিনীর হাতে লাখ লাখ আর্মেনিয়ানের নিহত হওয়াকে ২০২১ সালে ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তুরস্ক প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর য় আর্মেনিয়ানদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার কথা স্বীকার করলেও তাকে ‘গণহত্যা’ বলতে নারাজ।

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রমাণ দেবে তুরস্ক

আপডেট সময় : ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশির ভাগই ভিজ্যুয়াল নথি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ইসরায়েল দোষী সাব্যস্ত হবে। আমরা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করি। ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলে গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আবেদন জমা দেওয়ার দিন আইসিজেকে দ্রুত এ বিষয়ে শুনানির অনুরোধ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে ১১ জানুয়ারি শুনানি শুরুর দিন ধার্য করেন বিশ্ব আদালত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় ২৩ হাজার বেসামরিক মানুষ হত্যার মাধ্যমে গণহত্যার অভিযোগ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে ১০ হাজারের বেশি শিশু। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এরদোয়ানকে জবাব দিয়ে বলেছেন, অতীতে আর্মেনিয়ায় গণহত্যা চালানো দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এখন ভিত্তিহীন দাবি নিয়ে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন। ইসরায়েল আপনার বর্বর মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য দাঁড়িয়েছে, ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নয়। উল্লেখ্য, ১৯১৫ সালে অটোমান তুর্কি বাহিনীর হাতে লাখ লাখ আর্মেনিয়ানের নিহত হওয়াকে ২০২১ সালে ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তুরস্ক প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর য় আর্মেনিয়ানদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার কথা স্বীকার করলেও তাকে ‘গণহত্যা’ বলতে নারাজ।