০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে ১ বছরে ৩২শ’ মামলা, ৯০লাখ টাকা জরিমানা আদায়

খাগড়াছড়িতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়নে গত এক বছরে  তিন হাজার দুইশত বিভিন্ন যানবাহনকে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রুজু করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় নব্বই লক্ষ টাকার মতো। এছাড়া ও চালকদের (সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলুন, নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলুন) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট শাপলা চত্ত্বর, কোর্ট চতুর, চেঙ্গী স্কয়ার, জিরো মাইল পয়েন্ট ও বিভিন্ন থানা এলাকায় রেজিঃ বিহীন, হেমলেটবিহীন, ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন, ফিটনেস বিহীন, হাইড্রোলিক হর্ণ সহ বিভিন্ন অপরাধে ট্রাফিক বিভাগ উক্ত মামলা রুজু করেন।

জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  সুপ্রিয় দেব জানান, খাগড়াছড়ি  জেলার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর (পিপিএম বার) স্যারের নির্দেশে আমরা সড়কের শৃঙ্খলা  বৃদ্ধিতে কাজ করেছি, খাগড়াছড়ি জেলা পর্যটন নগরী হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ১০০ টির ও অধিক বাস সহ অন্যন্য যানবাহন প্রতিদিন গমনাগমন হয় এছাড়াও বনজ শিল্প উন্নয়নে বাঁশ, কাঠ পরিবহনে আরও প্রায় শতাধিক গাড়ির গমনাগমন ঘটে।

পুরোনো পৌর বাস টার্মিনাল আয়তনে খুবই ছোট হওয়ায় বেশি সংখ্যক গাড়ীর জায়গা না হওয়ায় চালকগন সড়কের পাশে রাখতে বাধ্য হন। শুধু মাত্র আইন প্রয়োগ করে  পার্কিং সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় বলে জানান  ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  সুপ্রিয় দেব। তিনি আরো বলেন শহরের বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তি ও স্টেকহোল্ডারদের সহায়তা ছাড়া টার্মিনাল বিকেন্দ্রিকরন কিংবা সম্প্রসারন পার্কিং সমস্যা সমাধানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের রাস্তা ব্যাবহার এবং ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্বুদ্ধকরন কর্মশালা ও পেশাজিবী চালক ও হেল্পারদের নিয়ে বিভিন্ন গঠনমূলক কর্মশালা এবং ভ্রাম্যমান চালকদের সড়ক পরিবহনে সতর্কীকরন বিষয়ে লিফলেট ও ফেস্টুন বিতরন করেন জেলা ট্রাফিক।

খাগড়াছড়ি জেনার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর (পিপিএম বার) বলেন, অত্র জেলায় শিল্প প্রতিষ্ঠান না থাকায় অনেক শিক্ষিত ছেলে বেকারত্ব দূরীকরনে টমটম, ট্রাক্টর সহ বিভিন্ন যানবাহন চালিয়ে সংসার নির্বাহ করেন। জেলার ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা আরো উন্নত করতে হলে সকল নাগরিক ও স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। সুবিধা বঞ্চিত, পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠি তাদের ভাগ্য উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। সড়ক পরিবহনে শৃংখলা ফিরাতে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসচেনতাই অধিক কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগের পরদিনই সায়েদুর রহমানকে একই পদে নিয়োগ

খাগড়াছড়িতে ১ বছরে ৩২শ’ মামলা, ৯০লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

খাগড়াছড়িতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়নে গত এক বছরে  তিন হাজার দুইশত বিভিন্ন যানবাহনকে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রুজু করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় নব্বই লক্ষ টাকার মতো। এছাড়া ও চালকদের (সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলুন, নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলুন) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট শাপলা চত্ত্বর, কোর্ট চতুর, চেঙ্গী স্কয়ার, জিরো মাইল পয়েন্ট ও বিভিন্ন থানা এলাকায় রেজিঃ বিহীন, হেমলেটবিহীন, ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন, ফিটনেস বিহীন, হাইড্রোলিক হর্ণ সহ বিভিন্ন অপরাধে ট্রাফিক বিভাগ উক্ত মামলা রুজু করেন।

জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  সুপ্রিয় দেব জানান, খাগড়াছড়ি  জেলার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর (পিপিএম বার) স্যারের নির্দেশে আমরা সড়কের শৃঙ্খলা  বৃদ্ধিতে কাজ করেছি, খাগড়াছড়ি জেলা পর্যটন নগরী হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ১০০ টির ও অধিক বাস সহ অন্যন্য যানবাহন প্রতিদিন গমনাগমন হয় এছাড়াও বনজ শিল্প উন্নয়নে বাঁশ, কাঠ পরিবহনে আরও প্রায় শতাধিক গাড়ির গমনাগমন ঘটে।

পুরোনো পৌর বাস টার্মিনাল আয়তনে খুবই ছোট হওয়ায় বেশি সংখ্যক গাড়ীর জায়গা না হওয়ায় চালকগন সড়কের পাশে রাখতে বাধ্য হন। শুধু মাত্র আইন প্রয়োগ করে  পার্কিং সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় বলে জানান  ট্রাফিক ইন্সপেক্টর  সুপ্রিয় দেব। তিনি আরো বলেন শহরের বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তি ও স্টেকহোল্ডারদের সহায়তা ছাড়া টার্মিনাল বিকেন্দ্রিকরন কিংবা সম্প্রসারন পার্কিং সমস্যা সমাধানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের রাস্তা ব্যাবহার এবং ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্বুদ্ধকরন কর্মশালা ও পেশাজিবী চালক ও হেল্পারদের নিয়ে বিভিন্ন গঠনমূলক কর্মশালা এবং ভ্রাম্যমান চালকদের সড়ক পরিবহনে সতর্কীকরন বিষয়ে লিফলেট ও ফেস্টুন বিতরন করেন জেলা ট্রাফিক।

খাগড়াছড়ি জেনার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর (পিপিএম বার) বলেন, অত্র জেলায় শিল্প প্রতিষ্ঠান না থাকায় অনেক শিক্ষিত ছেলে বেকারত্ব দূরীকরনে টমটম, ট্রাক্টর সহ বিভিন্ন যানবাহন চালিয়ে সংসার নির্বাহ করেন। জেলার ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা আরো উন্নত করতে হলে সকল নাগরিক ও স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। সুবিধা বঞ্চিত, পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠি তাদের ভাগ্য উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। সড়ক পরিবহনে শৃংখলা ফিরাতে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসচেনতাই অধিক কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে জানান তিনি।