০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএসএফের গুলিতে আহত লিটন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে -পতাকা বৈঠকে বিএসএফ

লালমনিরহাটের দুর্গাপুর সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে আহত বাংলাদেশী যুবক ভারতের একটি হাসপাতালে বিএসএফের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মারা গেছে।২৭ মার্চ বিকেলে এক পতাকা বৈঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএসএফ।
 এর আগে ২৬ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টায় জেলার আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে আহত হয়  লিটন মিয়া (২০)।পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে কুচবিহার জেলা সদরের এমজেএম নামে একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২৭ মার্চ সকালে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টায় আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তের আন্তর্জাতীক সীমান্ত পিলার ৯২৩ নম্বর এর কাছে ভারতীয় অংশে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত অনুমানিক সাড়ে ১২ টায় দূর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে বিএসএফ -এর গুলিতে আহত হয় লিটন।
আহত লিটন মিয়া আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দীঘলটারী এলাকার মো. মোকছেদুল ইসলামের ছেলে।বিজিবি সুত্র জানায়  দুর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় দিয়ে রাতে বাংলাদেশি কয়েকজন যুবক সীমান্ত সংলগ্ন কাটা তারের বেড়া এলাকায় যায়। তারা ভারতীয় চোরাকারবারীদের যোগসাযোসে ভারতীয় গরু আনার চেষ্টা করলে জলপাইগুড়ি-৭৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বথথর ক্যাম্পের টহল কলের সদস্যরা গুলি ছুরে।এডে লিটন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটে।  পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিয়ে কুচবিহারের এমজেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।
২৭ মার্চ বিকেলে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে  এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে তারা জানান চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটন মিয়া মারা যায় এবং তার লাশ ফিরত দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়।এরিপোর্ট পাঠানো সময় পর্যন্ত লাশ ফিরতের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ছিল।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএসএফের গুলিতে আহত লিটন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে -পতাকা বৈঠকে বিএসএফ

আপডেট সময় : ০৯:২৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
লালমনিরহাটের দুর্গাপুর সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে আহত বাংলাদেশী যুবক ভারতের একটি হাসপাতালে বিএসএফের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মারা গেছে।২৭ মার্চ বিকেলে এক পতাকা বৈঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএসএফ।
 এর আগে ২৬ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টায় জেলার আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে আহত হয়  লিটন মিয়া (২০)।পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে কুচবিহার জেলা সদরের এমজেএম নামে একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২৭ মার্চ সকালে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টায় আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তের আন্তর্জাতীক সীমান্ত পিলার ৯২৩ নম্বর এর কাছে ভারতীয় অংশে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত অনুমানিক সাড়ে ১২ টায় দূর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে বিএসএফ -এর গুলিতে আহত হয় লিটন।
আহত লিটন মিয়া আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দীঘলটারী এলাকার মো. মোকছেদুল ইসলামের ছেলে।বিজিবি সুত্র জানায়  দুর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় দিয়ে রাতে বাংলাদেশি কয়েকজন যুবক সীমান্ত সংলগ্ন কাটা তারের বেড়া এলাকায় যায়। তারা ভারতীয় চোরাকারবারীদের যোগসাযোসে ভারতীয় গরু আনার চেষ্টা করলে জলপাইগুড়ি-৭৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বথথর ক্যাম্পের টহল কলের সদস্যরা গুলি ছুরে।এডে লিটন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটে।  পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিয়ে কুচবিহারের এমজেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।
২৭ মার্চ বিকেলে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে  এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে তারা জানান চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটন মিয়া মারা যায় এবং তার লাশ ফিরত দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়।এরিপোর্ট পাঠানো সময় পর্যন্ত লাশ ফিরতের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ছিল।