০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে ফসলি জমি বাঁচাতে কৃষক কৃষাণীর  মানববন্ধন 

শেরপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলা ৯নং  মরিচপুরান ইউনিয়নের অন্তর্গত গোজাকুড়া গ্রামের দুই ফসলি আবাদি জমি অবৈধভাবে গভীর পুকুর ভরাট করার দাবিতে বুধবার সকাল ১১ টার দিকে গোজাকুড়া গ্রামের কৃষক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।
৩ এপ্রিল নকলা- নালিতাবাড়ীর সংসদ সদস্য অগ্নিকন্না বেগম মতিয়া চৌধুরী  ঈদ সামগ্রিক দিতে গোজাকুড়া এলাকায় আসার পথে স্থানীয় কৃষকরা গাড়ি থামিয়ে এই বিষয়টি অবগত করেন।
পরে এমপি স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দেন  বিষয়টি সমাধানের জন্য।
 এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় মোঃ সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে এসে বিবাহে সূত্রে এই গ্রামে প্রায় ২০ একর কৃষি জমি ক্রয় করেন। গত বছর ও তার আগের বছর কৃষি জমিতে তিনি বেশ কয়েকটি গভীর পুকুর খনন করেন। আবাদি জমিতে গভীর পুকুর খনন করার কারণে বোরো মৌসুমে আমাদের জমিগুলোতে সেচের পানি থাকে না। আবার আমন মৌসুমে পুকুরে উঁচু পাড়ের কারণে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, ফলে ধান গাছ মারা যায়। এছাড়াও সম্পূর্ণ পুকুরের পাড় বেড়া দিয়ে গেইট তৈরি করায় জমিগুলোতে যাতায়াত ও ফসল আনা নেওয়া করতে পারে না এলাকাবাসী। পুকুর থাকার কারণে জমিতে পানি সেচ দেওয়ার জন্য ড্রেন করতেও সমস্যা হচ্ছে। এমতাবস্থায়  ফসল উৎপাদন করতে ব্যপকভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ কৃষক ও এলাকাবাসী ।

নালিতাবাড়ীতে ফসলি জমি বাঁচাতে কৃষক কৃষাণীর  মানববন্ধন 

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪
শেরপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলা ৯নং  মরিচপুরান ইউনিয়নের অন্তর্গত গোজাকুড়া গ্রামের দুই ফসলি আবাদি জমি অবৈধভাবে গভীর পুকুর ভরাট করার দাবিতে বুধবার সকাল ১১ টার দিকে গোজাকুড়া গ্রামের কৃষক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।
৩ এপ্রিল নকলা- নালিতাবাড়ীর সংসদ সদস্য অগ্নিকন্না বেগম মতিয়া চৌধুরী  ঈদ সামগ্রিক দিতে গোজাকুড়া এলাকায় আসার পথে স্থানীয় কৃষকরা গাড়ি থামিয়ে এই বিষয়টি অবগত করেন।
পরে এমপি স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দেন  বিষয়টি সমাধানের জন্য।
 এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় মোঃ সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে এসে বিবাহে সূত্রে এই গ্রামে প্রায় ২০ একর কৃষি জমি ক্রয় করেন। গত বছর ও তার আগের বছর কৃষি জমিতে তিনি বেশ কয়েকটি গভীর পুকুর খনন করেন। আবাদি জমিতে গভীর পুকুর খনন করার কারণে বোরো মৌসুমে আমাদের জমিগুলোতে সেচের পানি থাকে না। আবার আমন মৌসুমে পুকুরে উঁচু পাড়ের কারণে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, ফলে ধান গাছ মারা যায়। এছাড়াও সম্পূর্ণ পুকুরের পাড় বেড়া দিয়ে গেইট তৈরি করায় জমিগুলোতে যাতায়াত ও ফসল আনা নেওয়া করতে পারে না এলাকাবাসী। পুকুর থাকার কারণে জমিতে পানি সেচ দেওয়ার জন্য ড্রেন করতেও সমস্যা হচ্ছে। এমতাবস্থায়  ফসল উৎপাদন করতে ব্যপকভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ কৃষক ও এলাকাবাসী ।